বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগরে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির প্রার্থী বাবু খান

শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের জন্য ট্রেনিং সেন্টার খোলার প্রতিশ্রুতি
  • আপলোড তারিখঃ ০১-০২-২০২৬ ইং
জীবননগরে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির প্রার্থী বাবু খান

বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় গেলে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের জন্য ট্রেনিং সেন্টার খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জীবননগরে শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।


সভায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বাবু খান বলেন, ‘আমি এখানে আসার আগে আমার ধারণা ছিল- এখানে আসব, এসে দোয়া নেব, ভোট চাইব, আপনারা আমার পক্ষে সমর্থন দেবেন, তারপর চলে যাব। কিন্তু এখানে বাড়তি যে জিনিসটা পেলাম, আমার কাছে খুব ভালো লাগল। ভালো লাগল এ জন্য যে, আপনারা আপনাদের জীবনের নিরাপত্তা, পরিবারের নিরাপত্তা, এই নির্মাণশ্রমিক ভাইদের আরও কীভাবে সুন্দরভাবে কাজ করা যায়, এই বিষয়টি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। এটাই হলো প্রয়োজন।’


তিনি আরও বলেন, কারণ একটি নির্বাচনী সভা বা রাজনৈতিক সভায় এসে স্লোগান দেবেন.. স্লোগান দিয়ে যে যার মতো চলে যাবেন আর ভুলে যাবেন, তাতে রাজনীতিও এগাবে না, সমাজও এগাবে না। এই যে নির্মাণশ্রমিক ভাইদের, বোনদের এখানে নিরাপত্তা প্রয়োজন। এই নিরাপত্তাটা কীভাবে করা যাবে? একটা হলো যথাযথ ট্রেনিং এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। এখানে আমার মায়েরা আছেন কিছু। তো এই প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণের অর্থাৎ আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়, এই প্রশিক্ষণটা যেন দেওয়া যায়, সেই জন্য যদি ট্রেনিং সেন্টার খুলতে হয় আমরা খুলব। এ ক্ষেত্রে যারা ওয়েল্ডিং করেন, ইলেকট্রিক সাইটে আছেন.. তারপর যারা রং করেন, এই প্রশিক্ষণ দেওয়া অবশ্যই সম্ভব।


বাবু খান বলেন, দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে নিরাপত্তা। দেখেন, যেকোনো পেশায় কিন্তু ঝুঁকি আছে। আর যারা নির্মাণকাজে নিয়োজিত, তাদের ঝুঁকি একটু বেশি। তো এখানে আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে হবে। ফান্ড গঠন করা যেতে পারে। প্রত্যেকের জন্য ইন্স্যুরেন্স করা যেতে পারে। কাজ করতে গিয়ে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে ইন্স্যুরেন্স দ্বারা তার টাকাটা পাওয়া যায়। আল্লাহ না করুক, কেউ যদি পরলোকগমন করেন, তার পরিবার একেবারে পানিতে পড়ে না যায়, তার পরিবারকে কীভাবে সাহায্য করা যায়। আমাদের পোশাক শিল্পের যে ভাই-ভোনেরা আছেন তারা কিন্তু এই ইন্স্যুরেন্সটা পায়। এটা টাকার পরিমাণ দুই লাখ হতে পারে..৫ লাখ হতে পারে। আরও বেশি হতে পারে। সেটি আপনারা বসে ঠিক করবেন। নিদিষ্ট ভাবে প্রস্তাব দেবেন। ইনশাআল্লাহ যদি আমাদের দল দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায় এটা নিয়ে কাজ করব। জীবননগরই হবে একটা উদাহরণ।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. আশরাফুল ইসলাম সোমা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর, বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চুন্নু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জীবননগর পৌর যুবদলের সভাপতি হযরত আলী।



কমেন্ট বক্স
notebook

এক সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে হার মানলেন আবু সাঈদ