দামুড়হুদা উপজেলায় পৃথক তিনটি মামলায় সাত আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাজাহান আলীর আদালত গত রোববার ও সোমবার এসব রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে মাদক মামলায় কয়েকজন এবং চেক ডিজঅনারের মামলায় এক নারী আসামি রয়েছেন।
গত রোববার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৯(ক) অনুযায়ী দায়ের করা একটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রত্যেককে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। মামলার কয়েকজন আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশও দেওয়া হয়েছে।
অন্য একটি মাদক মামলায় ১০৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩৫ গ্রাম গাঁজাসহ মো. মনিরুল ইসলাম মিয়া (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার সম্পন্ন হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি রাতে দর্শনা পৌর এলাকার মোবারকপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১০৪ পিস ইয়াবা ও ৩৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে উদ্ধার করা মাদক আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
এদিকে গত সোমবার এনআই অ্যাক্ট-১৮৮১-এর ১৩৮(১) ধারায় দায়ের করা একটি মামলায় মোছা. চায়না খাতুন (৪২) নামে এক নারীকে এক বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার নথি থেকে জানা যায়, চায়না খাতুন একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার পর পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য ইসলামী ব্যাংকের একটি চেক দেন। নির্ধারিত সময়ে চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করা হলে হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। পরে তাকে আইনগত নোটিশ দেওয়া হলেও পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় আদালতে মামলা করা হয়। আদালতে শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে বিচারক মো. শাহাজাহান আলী পৃথক মামলাগুলোতে এসব রায় ঘোষণা করেন।
দর্শনা অফিস