চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ৪০৩ বস্তা সরকারি ডিএপি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি। সরকারি সার মজুদ ও বিক্রির অভিযোগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে জীবননগরের দত্তনগর সড়কের মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির গুদামে তল্লাশি চালিয়ে ৪০৩ বস্তা সরকারি ডিএপি সার জব্দ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আবুল কালাম আজাদ। প্রতিষ্ঠানটির সার বিক্রির বৈধ লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও সেখানে সরকারি সার মজুত ও বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে শুক্রবার বিকেলে সেখানে অভিযানে যান জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি। এসময় সেখানে অবৈধভাবে সার মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে মজুত করা সারগুলো জব্দ করা হয়।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি জানান, অবৈধভাবে সার মজুত ও বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অভিযানে জব্দ করা ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে। এসময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. পাভেল রানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি সার অবৈধভাবে মজুত, কালোবাজারি বা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সমীকরণ প্রতিবেদক