বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

গুলশানের নতুন ডিসি পদে রুহুল কবীর খান

আইনশৃঙ্খলা জোরদারে ঢাকা ও চুয়াডাঙ্গায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
  • আপলোড তারিখঃ ২৩-০৯-২০২৬ ইং
গুলশানের নতুন ডিসি পদে রুহুল কবীর খান

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুলশান বিভাগে নতুন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের কর্মকর্তা ও চুয়াডাঙ্গার সদ্য সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।


ডিএমপি সদর দপ্তরের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই পদায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আদেশ জারির পর পরই কার্যকর হয় তাঁর নতুন এ দায়িত্ব। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে চুয়াডাঙ্গা থেকে ডিএমপিতে বদলির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে গুলশান বিভাগের মতো সংবেদনশীল ও কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়ে আসা হলো।


গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানে রাজনৈতিক মিছিলকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ ও সহিংস সংঘাতের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতা ও প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার অভিযোগে গুলশান বিভাগের তৎকালীন ডিসি এম তানভীর আহমেদ, এডিসি মো. সারোয়ার হাসাইন এবং গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকে একযোগে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ওই ঘটনার পর গুলশান বিভাগে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা স্বাভাবিক করতেই অভিজ্ঞতা ও কঠোর পদক্ষেপের জন্য পরিচিত রুহুল কবীর খানকে দায়িত্ব দেওয়া হলো।


চুয়াডাঙ্গা জেলায় দায়িত্ব পালনকালে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন নাশকতা দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছিলেন রুহুল কবীর খান। তাঁর গৃহীত একাধিক কঠোর ও কৌশলগত পদক্ষেপে জেলায় অপরাধ চিত্র অনেকটাই নেমে এসেছিল স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে। তাঁর এই দক্ষ নেতৃত্বের কারণে একদিকে যেমন নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তিতে চুয়াডাঙ্গার সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ সাধুবাদ জানাচ্ছেন, অন্যদিকে নবাগত পুলিশ সুপারের কাছেও অপরাধ দমনে একই রকম কঠোর ও তাৎক্ষণিক উদ্যোগের প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন স্থানীয় অধিবাসীরা।


দায়িত্ব পেয়ে গুলশানের নতুন ডিসি মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান রাজধানীর নিরাপত্তা সুসংহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করার পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গায় দায়িত্ব পালনকালের জনসম্পৃক্ততা ও স্মৃতি স্মরণ করেন। কূটনৈতিক এলাকা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের আবাসনবেষ্টিত গুলশান বিভাগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন নবাগত এই ডিসির সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।



কমেন্ট বক্স
notebook

সীমান্তে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ