শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় হজে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৮-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় হজে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় পবিত্র হজ পালনে মানুষকে উৎসাহিত ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের বিষয়ে সচেতন করতে উদ্বুদ্ধকরণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা মডেল মসজিদে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ.বি.এম. খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি- দুই ধরনের ব্যবস্থাপনা রয়েছে। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে। এ কারণে অনেকে বেসরকারি ট্যুর এজেন্সির মাধ্যমে হজে যান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ২০২৭ সালের হজ পালনের জন্য দুটি প্যাকেজ চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্যাকেজের মূল্য ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৯০ টাকা। এ প্যাকেজে রেজিস্ট্রেশনের জন্য ২৯ হাজার টাকা দিতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ২৪ সেপ্টেম্বর। নির্ধারিত সময়ের পর রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ থাকবে না। অন্য প্যাকেজটি সাশ্রয়ী। এ প্যাকেজের মূল্য ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা এবং রেজিস্ট্রেশনের জন্য ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে।


এডিসি খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, হজ সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য ফরজ হলেও প্রতিবছর সরকারি ব্যবস্থাপনার নির্ধারিত স্লট পূরণ হচ্ছে না। গত বছরও কিছু স্লট খালি ছিল। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে সরকারি ব্যবস্থাপনার এই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুটি প্যাকেজের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, মূল পার্থক্য থাকার জায়গায়। খাবারের ব্যবস্থা একই থাকবে। কাবা শরিফ থেকে হোটেলের দূরত্বের ওপর থাকার খরচ নির্ভর করবে। কাবা শরিফ থেকে যত দূরে হোটেল হবে, ভাড়া তত কম হবে।


মিনার বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে বিভিন্ন জোনে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে জোন-২ তুলনামূলকভাবে নিকটবর্তী। এভাবে জোন-১২ পর্যন্ত রয়েছে। শেষের দিকের জোনগুলোতে কিছুটা বেশি কষ্ট হতে পারে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের জন্য চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি টিমের সঙ্গে দক্ষ চিকিৎসক থাকেন। পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রয়োজনীয় জনবল হজযাত্রীদের দেখভাল করেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ভালো মানের হোটেলের ব্যবস্থাও করা হয় এবং ঝামেলা তুলনামূলকভাবে কম।


তিনি সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি যারা এ বিষয়ে জানেন না, তাদেরও বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন।



কমেন্ট বক্স