শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দর্শনা কেরুর জৈব সার কারখানায় উৎপাদন ও বিক্রি বেড়েছে

এবার ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার রেকর্ড মুনাফা
  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৮-২০২৬ ইং
দর্শনা কেরুর জৈব সার কারখানায় উৎপাদন ও বিক্রি বেড়েছে

দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের জৈব সার কারখানা ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। উৎপাদন ও বিক্রি বৃদ্ধির ফলে প্রতিষ্ঠানটির জৈব সার কারখানায় এ মুনাফা এসেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


কেরু জৈব সার কারখানার ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) ও প্ল্যান্ট ম্যানেজার জাকির হোসেন জানান, ঐতিহ্যবাহী কেরু অ্যান্ড কোম্পানির চিনিকলের বাই-প্রোডাক্ট প্রেসমাড এবং ডিস্টিলারির তরল বর্জ্য স্পেন্ট ওয়াশের সমন্বয়ে আধুনিক ল্যাবরেটরিতে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ‘কেরু জৈব সার সোনার দানা’ উৎপাদন করা হয়।


তিনি বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে জৈব সারের উৎপাদন ও বিক্রি উভয়ই বেড়েছে। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে কারখানাটিতে ২ হাজার ১৯ মেট্রিক টন জৈব সার উৎপাদন করা হলেও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে উৎপাদন ও বিক্রি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭২৯ মেট্রিক টনে। এ পরিমাণ জৈব সার বিক্রি করে কারখানাটি ১ কোটি ৪৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা মুনাফা অর্জন করেছে।


জাকির হোসেন আরও জানান, কেরুর জৈব সার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, মাটিদূষণ নিয়ন্ত্রণ, পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো এবং মাটিতে বায়ু চলাচল উন্নত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি কৃষিজমিতে ভালো ফলন উৎপাদনেও এ সার কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। এদিকে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির বিভিন্ন ইউনিট ও ডিস্টিলারি থেকে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মোট ২২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা মুনাফা অর্জিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, কেরু দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও লাভজনক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এর বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিটের মধ্যে জৈব সার কারখানা প্রতিবছরই লাভজনক অবস্থান ধরে রেখেছে। জৈব সারের উৎপাদন ক্ষমতা আরও বাড়াতে এবং মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়নে কার্যকর সার উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ চলছে।


তিনি বলেন, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদনে জৈব সার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি মাটির ক্ষয় রোধে সহায়তা করার পাশাপাশি ফসলের পুষ্টি গ্রহণের পরিবেশ উন্নত করে। বিশেষ করে আখ ও বিভিন্ন ফলজ গাছে এ সার ব্যবহার করে কৃষকেরা ভালো ফলাফল পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।


ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও বলেন, কেরুর জৈব সার বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করেছে এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম মানসম্মত জৈব সার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আগামী ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে জৈব সার কারখানা থেকে আরও বেশি মুনাফা অর্জনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।



কমেন্ট বক্স
notebook

দর্শনা কেরুর জৈব সার কারখানায় উৎপাদন ও বিক্রি বেড়েছে