শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক

অটিস্টিক শিশু পরিবারের কাছে আল্লাহর আমানত
  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০৫-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক

‘অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়-প্রতিটি জীবন মূল্যবান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী। আলোচনা সভায় অটিজম বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অধিকার সংরক্ষণ, তাদের সম্ভাবনার বিকাশ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।


সভায় জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, এখন অনেক মেয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়- যখন তারা গর্ভধারণ করে, তখন তারা কোনো কাজ বা শারীরিক কোনো কাজ করে না। যার কারণে হঠাৎ করে তাদের ওজন বৃদ্ধি পেয়ে যায়। যার ফলে অবেসিটিতে আক্রান্ত হয়ে যায়। যার ফলে তারা ওই সময়ে ডায়াবেটিক্সে আক্রান্ত হয়ে যায়। এটাও একটি কারণ বাচ্চার অটিজমে আক্রান্ত হওয়ার। এছাড়াও বায়ু দুষণ এর অন্যতম প্রধান কারণ।


তিনি আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন খাদ্যের মাধ্যেমে এন্টিবায়েটিক গ্রহণ করছি। গর্ভকালীন অবস্থায় ডাক্তার প্রথমেই ফার্মের মুরগি খেতে নিষেধ করে দেয়। কারণ এতে ভীষণ পরিমাণের এন্টিবায়েটিক ব্যবহার করা হয়। একইভাবে বিভিন্ন বিদেশি ফল যেগুলো বিভিন্ন মেডিসিন দেওয়া থাকে এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। মাতৃত্বকালীন এই সময়টিতে আমাদের খাবারের ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যাতে নিজেরা সুস্থ থাকার পাশাপাশি একটি সুন্দর ও সুস্থ জীবন আগত শিশুটিকেও দিতে পারি। এখন যে পরিমাণ অটিস্টিক শিশু বেড়ে যাচ্ছে এটার থেকে মুক্তির প্রথম এবং প্রধান উপায় হচ্ছে সচেতনতা তৈরি করা।


তিনি আরও বলেন, অটিজম এটা কোনো রোগ নয়। একটি অটিস্টিক শিশু তার পরিবারের কাছে আল্লাহ প্রদত্ত একটি সব থেকে বড় আমানত। তাদের খেয়াল রাখা, সামাজিক করে তোলা এটাও আপনাদেরই দায়িত্ব। একই সাথে এটা যে রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব এটা বোঝানোর জন্যই এই ধরণের আয়োজন গুলো করা হয়েছে এবং তাদের বিকাশের জন্য না না ধরণের পদক্ষেপ রাষ্ট্রগ্রহণ করছে।


সভায় বক্তারা বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সামাজিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে তারা সমাজের মূলধারায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন। অনুষ্ঠান শেষে একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর মাঝে হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। এছাড়া তিনজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাঝে সহায়ক উপকরণ হিসেবে ওয়াকার, ক্র্যাচ ও হিয়ারিং এইড বিতরণ করা হয়।


এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের কনসালট্যান্ট ডা. নূর আলম আকাশ, পারকৃষ্ণপুর মদনা বিশেষ শিক্ষা প্রতিবন্ধী স্কুলের সভাপতি মহি উদ্দিন বাবু, সুবর্ণ মানব কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মিম্মা সুলতানা, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জাকির হোসেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

জীবননগর সীমান্তে ৫৮ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় সিরাপ ও কীটনাশক জব্দ