ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শুমারির তথ্য নির্ভুলভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ৩০ জনের প্রত্যেককে একটি করে ট্যাব দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ১০টায় চুয়াডাঙ্গা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্রের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত উপকারভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করা এবং যোগ্য পরিবারের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম করা। এ জন্য শুমারির তথ্য হতে হবে নির্ভুল, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ভুল, অবহেলা কিংবা পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাইকে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে শুমারির কাজ নির্ধারিত নিয়মে সম্পন্ন করতে হবে। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করা সম্ভব। তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আইনাল হক, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মৌমিতা পারভীন এবং সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাঈদ হাসান।
প্রশিক্ষণ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ১, ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার কুতুবপুর, পদ্মবিলা ও মোমিনপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় তথ্য সংগ্রহ ও শুমারির দায়িত্ব পালন করবেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা।
নিজস্ব প্রতিবেদক