মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি দোকান পুড়ে ছাই

ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ালো জেলা প্রশাসন
  • আপলোড তারিখঃ ০৮-০৯-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি দোকান পুড়ে ছাই

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের নতুন ভান্ডারদহ তিন রাস্তার মোড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।গত রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।


আগুনে দোকানের মালামাল, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। এতে চারটি পরিবার তাদের ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- রকিবুল ইসলামের ইলেকট্রিকের দোকান, নিশান হার্ডওয়্যার, নিজামের সার ও কীটনাশকের দোকান এবং একটি সেলুন।


স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ দোকানগুলোতে আগুন জ্বলতে দেখে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন একটি দোকান থেকে পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।


ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে তারা বাড়িতে চলে যান। পরে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখেন, দোকানের মালামাল ও আসবাবপত্র দাউ দাউ করে জ্বলছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন পাশের দোকানগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। দোকানগুলোতে বিপুল পরিমাণ মালামাল থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।


এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সরেজমিনে ক্ষয়-ক্ষতির চিত্র দেখেন।


জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি দোকান মালিককে ১০ হাজার টাকা করে নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য চাল, ডাল, তেলসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে জেলা প্রশাসন রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।


এদিকে ঘটনাস্থলে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্র, চুয়াডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম জসীমউদ্দীন, শংকরচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আলম সুজন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুজন হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন।



কমেন্ট বক্স
notebook

আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের পূর্বের এডহক কমিটি বিলুপ্ত