বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

হরিণাকুণ্ডুতে পরিত্যক্ত খাল পুনঃখননে কৃষকের মুখে হাসি

শীতলী গ্রামে নতুন আশার সঞ্চার
  • আপলোড তারিখঃ ১২-০৮-২০২৬ ইং
হরিণাকুণ্ডুতে পরিত্যক্ত খাল পুনঃখননে কৃষকের মুখে হাসি

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের শীতলী গ্রামে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ও পলিতে ভরাট হয়ে যাওয়া একটি খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। খালটি পুনঃখননের ফলে পানি ধারণক্ষমতা বাড়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে। বিশেষ করে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেয়েছেন এলাকার কৃষকেরা।


স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি পলি ও মাটিতে ভরাট হয়ে পানি ধারণক্ষমতা হারিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ও পাট জাগ দেওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তেন কৃষকেরা। আশপাশে উপযুক্ত জলাশয় না থাকায় অনেককে দূর-দূরান্তে গিয়ে পাট জাগ দিতে হতো। এতে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হতো।


খালটি পুনঃখননের পর এর পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি মৌসুমে স্থানীয় কৃষকেরা খালের পানিতেই সহজে পাট জাগ দিতে পারছেন। এতে তাদের অতিরিক্ত খরচ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে।


শীতলী গ্রামের কৃষক হবিবার রহমান বলেন, পাট চাষের পর জাগ দেওয়া নিয়ে বছরের পর বছর আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। দূরে গিয়ে জাগ দিতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হতো। খালটি পুনঃখনন হওয়ায় এবার সেই ভোগান্তি নেই।
স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, খালটি পুনঃখননের ফলে শুধু পাট জাগ দেওয়ার সমস্যার সমাধান হয়নি, একই সঙ্গে কৃষিকাজে পানির সুবিধা বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। খালটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এর সুফল দীর্ঘমেয়াদে পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তারা।


এলাকার কৃষকদের মতে, কৃষি ও কৃষকের জীবন-জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এ ধরনের জলাশয় পুনঃখনন কার্যক্রম স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। খালটি পুনঃখননের ফলে শীতলী গ্রামের কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

মুজিবনগরে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত