চুয়াডাঙ্গাসহ সাত জেলার কমিটি স্থগিত করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গতকাল শুক্রবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক হাসান ইনামের যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, গাইবান্ধা, কুষ্টিয়া, জামালপুর ও বরিশাল জেলার শাখাগুলোর আহ্বায়ক কমিটিসমূহের নির্ধারিত মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ায় সংগঠনের উচ্চ কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কমিটিগুলো স্থগিত থাকবে। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নতুন করে সাংগঠনিক কাঠামো গঠনের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে সদ্য স্থগিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চুয়াডাঙ্গা কমিটি’র সদস্যসচিব সাফ্ফাতুল ইসলাম বলেন, ‘কমিটির নির্ধারিত মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ায় কেন্দ্র থেকে চুয়াডাঙ্গাসহ সাত জেলার কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। আজ (গতকাল শুক্রবার) কমিটি স্থগিত করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এর আগে চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল উপজেলাসহ বিভিন্ন শাখা কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই সে সকল কমিটিগুলোকেও স্থগিত করা হয়। এই মুহূর্তে চুয়াডাঙ্গা জেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আর কোনো কমিটি নেই।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ২ নভেম্বর আসলাম হোসেন অর্ককে আহ্বায়ক ও সাফফাতুল ইসলামকে সদস্যসচিব করে ১০১ সদস্যের চুয়াডাঙ্গার জেলার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সে সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সদস্যসচিব আরিফ সোহেলের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে চুয়াডাঙ্গা জেলা কমিটিতে একজন করে মুখপাত্র ও মুখ্য সংগঠক, চারজন সংগঠক, ৮ জন যুগ্ম আহ্বায়ক, ৯ জন যুগ্ম সদস্যসচিব এবং ৭৫ জন সদস্য দেয়া হয়েছিলো।
সমীকরণ প্রতিবেদন