চুয়াডাঙ্গায় পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় উচ্চ মূল্যের শষ্য (ফল) প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপী অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ১০টায় ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দামুড়হুদা উপজেলার কোষাঘাটায় ওয়েভ ফাউন্ডেশনের গো-গ্রীন সেন্টারের প্রশিক্ষণ কক্ষে এ অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্র।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আল সাবাহ, হর্টিকালচার বিভাগের নাসার্রি তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল মালেক, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক জহির রায়হান, ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ ও আব্দুস সালাম।
এসময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, প্রত্যেকটা মানুষের বারো মাস ফল খাওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে ফল মৌসুমিতে ফল পাওয়া যায়। উৎপাদন হয় বছরে ৩-৪ মাস। আর তিন-চার মাস ফল খেলে হবে না। যাতে বারো মাস ফল পাওয়া যায়, তার ব্যবস্থা করতে হবে। এখন অত্যাধুনিক ফর্মুলায় বিভিন্ন ফলের চাষ হচ্ছে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে এই প্রত্যেকটা বাড়িতে বারোমাসি ফলের গাছ লাগতে হবে।এবং বাণিজ্যিকভাবে বারোমাসি ফলে চাষ করতে হবে। তাহলে আমরা ১২ মাস ফল খেতে পাবো।
দিনব্যাপী এ কর্মশালায় কার্যকর প্রকল্পের ব্যবস্থাপক সোহরাওয়ার্দী শুভ প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত বিষয় উপস্থাপন করেন। প্রকল্প সম্পর্কিত কারিগরি বিষয় উপস্থাপন করেন কারিগরি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, আরইসিপি নিয়ে উপস্থাপন করেন আরইসিপি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান।
প্রতিবেদক দামুড়হুদা