মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধনের’ দুই যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান সাহিদুজ্জামান টরিক

  • আপলোড তারিখঃ ২৫-১০-২০২১ ইং
রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধনের’ দুই যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান সাহিদুজ্জামান টরিক
নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধনের’ দুই যুগপূর্তি উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘সর্বাত্মক হোক স্বেচ্ছায় রক্তদান, দুই যুগপূর্তিতে বাঁধনের আহ্বান’ স্লোগানে গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গনে এ আয়োজন করে বাঁধন। বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুর রশিদ। এর আগে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে বাঁধনের অফিসকক্ষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গার কৃতীসন্তান, সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ বিজনেস অব চেম্বারের (বিডিচ্যাম) সাবেক সভাপতি, সাহিদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাহিদ প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রতিনিয়ত বাঁধনের সদস্যরা ছুটে বেড়ায়। এটি উত্তম কাজ। মানুষের জীবন বাঁচাতে বাঁধনের সদস্যরা রক্ত দিচ্ছে। রক্ত সংগ্রহে কাজ করছে। যার জন্য বাঁধন ভালো লাগার একটা জায়গা। আমি যখনই দেশে আসি, বাঁধনের সাথে যোগাযোগ করি। দেশের বাইরে থাকলেও খোঁজখবর রাখি। তোমরাও আমাকে জানাবা।’ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ছাত্র ছিলাম, তখন থেকে আমিও রক্ত দিই। বিশ্ববিদ্যালয় লাইফে নিয়মিত রক্ত দিয়েছি। এখনো বছরে একবার রক্ত দিই। তোমরা যাঁরা এ কাজের সাথে জড়িত, তাঁরা প্রতিদিন কারো না কারো জীবন বাঁচাও।’ `` এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বাঁধনের আমি নিয়মিত খোঁজ রাখি। তোমাদের কোনো প্রয়োজন হলে আমাকে বলবা। একটা সংস্থা চালাতে হলে অনেক খরচ হয়। এতো স্বেচ্ছাশ্রম দিয়েও তোমরা সংস্থার মিটিংয়ে নাস্তা করতে পারো না। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কীভাবে চলে সেটা বুঝি। এখানে কয়েকজন শিক্ষকও বলেছেন, তোমাদের পাশে থাকার কথা। সবাই পাশে থাকব। তোমরা এখন ছাত্র। তোমাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। তোমাদের পড়াশোনা সবার আগে। সব কাজের আগে পড়াশোনাও ঠিক রাখতে হবে।’ বাঁধনের সদস্যদের উদ্দেশ্য তিনি আরও বলেন, ‘তোমরা সবসময় চিন্তা করবা, একজন মানুষকে রক্ত দিয়ে আমরা তার ওপর কোনো এহসান করছি না। বরং কাউকে রক্ত দিতে পেরে আমরা তাঁর কাছ থেকে এহসান নিচ্ছি। আমরা সওয়াব পাচ্ছি।’ আলোচনা সভা শেষে সরকারি কলেজের প্রশাসনিকক ভবনের সামনে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। এ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণাকালে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুর রশিদ বলেন, স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে এবং বিভিন্নজনের রক্তের ব্যবস্থা করে বাঁধন সব সময় ভালো কাজ করে। জীবন বাঁচানোর এ মহৎ কাজের পাশাপাশি বাঁধন থেকে শিক্ষার্থীরা মানবিকতাও শেখে। আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচির উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. আব্দুল আজিজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মতিউর রহমান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সফিকুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসাইন, সহকারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাসুদ পারভেজ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জানিফ, তরুণ উদ্যোক্তা ফাহাদ, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সদস্য গাজী ইমদাদুল হক সজল ও বাঁধনের উপদেষ্টা ইব্রাহিম হোসেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী