চুয়াডাঙ্গায় সাংবাদিক ও ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
- আপলোড তারিখঃ
০৪-০৬-২০১৭
ইং
দামুড়হুদা অফিস: চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় দৈনিক সমকালের দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি বখতিয়ার হোসেন বকুল ও ইউপি সদস্য সেলিমের বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট দামুড়হুদা অঞ্চল আমলী আদালতে ৫০ লাখ টাকার মানহানী মামলা হয়েছে।
মামলার বাদী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার হেমায়েতপুর বেড়বাড়ীপাড়া গ্রামের মরহুম রবগুল শেখের ছেলে সাবেক নতিপোতা ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী মামলার আরজীতে জানান, তিনি ১৮ বছর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় নতিপোতা ইউপি সদস্য ছিলেন। গত নির্বাচনে তিনি অল্প ভোটের ব্যবধানে এ মামলার ২ নম্বর আসামী একই উপজেলার বেড়বাড়ীপাড়া গ্রামের মরহুম মহির উদ্দীন কেবলার ছেলে বর্তমান ইউপি সদস্য সেলিম উদ্দীনের কাছে হেরে যান। এরপর থেকে সেলিম মেম্বার তার বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র শুরু করে।
তারই সহযাগী হয়ে সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে ১নম্বর আসামী দামুড়হুদা উপজেলা শহরের দশমীপাড়ার মরহুম দাস্ত মাহাম্মদের ছেলে দৈনিক সমকালের দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি বখতিয়ার হোসেন বকুল সাংবাদিক পরিচয়ে নিরবে চাঁদাবাজীর মাধ্যম তার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। ইউপি সদস্য সেলিমের প্ররোচনায় বকুল গত ২৮ মে’২০১৭ তারিখের দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার প্রথম পাতায় ` দামুড়হুদায় পীরর মুরিদি গ্রহণ না করায় গৃহবধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা; মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার, কথিত পীর লিয়াকতের শাস্তির দাবি` সংক্রান্ত একটি মানহানীকর সংবাদ প্রকাশ করে যা মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। সে কারনে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী বকুল আমার কাছ থেকে ২৮ মে’২০১৭ রাতে ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে একটি প্রতিবাদ দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকায় পাঠায় যা ২৯ ম’২০১৭ ছাপা হয়। কিন্তু প্রতিবেদকের কোন বক্তব্য ছাড়াই প্রতিবাদটি ছাপা হয়। এ থেকে বোঝা যায় যে, সাংবাদিক পরিচয়দানকারী বকুল তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এই সংবাদটি তার পত্রিকায় ছেপে দিয়েছেন। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর কয়েকটি পত্রিকা আমার গ্রাম নিয়ে গিয়ে ইউপি সদস্য সেলিম লোকজনের সামনে আমাকে নিয়ে প্রকাশ্য গালিগালাজ করতে থাকে। এতে আমার মানসম্মান মারাত্বকভাব ক্ষুন হয়। সে কারনে আমি আদালতে উপস্থিত হয়ে মানহানী মামলা করি। মামলা নম্বর সিআর-২৯৫/১৭। তারিখ ২৯.০৫.২০১৭। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আব্দুল হালিম আরজিটি গ্রহন করে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খানকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত আগামী ২৭ জুলাই’২০১৭ মামলার শুনানীর দিন ধার্য করেছে।
এ ব্যাপার দামুড়হুদা মডল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, মামলার আরজী এখনও থানায় আসেনি। আসলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে।
কমেন্ট বক্স