ঝিনাইদহে সর্প দংশনে নারীসহ দুজনের মৃত্যু
- আপলোড তারিখঃ
২৮-০৯-২০২১
ইং
ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিষধর সাপের উৎপাত কমছে না। বর্ষা মৌসুম আসলে সাপের কামড়ে প্রায় প্রতি মাসেই মানুষ মারা যায়। এ বছর শিশুসহ প্রায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে সাপের কামড়ে। গত রোববার রাতেও নারীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে স্বর্পদংশনে। হাসপাতালে অ্যান্টিভেনাম থাকলেও ওঁঝা কবিরাজ ও সময়ক্ষেপণের কারণে অহরহ রোগী মারা যাচ্ছে।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গত রোববার রাতে শৈলকুপা উপজেলার রঘুনন্দনপুর গ্রামে আবুল হোসেন জোয়ার্দ্দারের ছেলে মোকাদ্দেস হোসেন (৬৫) ও দক্ষিণ মনোহরপুর গ্রামের আজগার আলীর স্ত্রী রোক্সনা বেগম (৪৫) সাপে কেটে মারা যান। মৃত মোকাদ্দেস হোসেনের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান জানান, ভোর সাড়ে চারটার দিকে তাঁর ভাই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে টয়লেটে যান। সেখানে গোখরা সাপ তাঁকে দংশন করে। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় ওঝাঁর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ওঁঝা ঝাঁড়ফুঁক করার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে তাঁকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল ৮টার দিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
শৈলকুপা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. কনক জানান, তাঁর পায়ে দুটি দংশনের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয় কবিরাজ দেখিয়ে রোগীকে অনেক দেরিতে হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। অপর দিকে, নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বলাই কুমার বিশ^াস জানান, দক্ষিণ মনোহরপুর গ্রামের গৃহবধূ রোক্সনা বেগম ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে তাঁকে সাপে কামড় দেয়। যন্ত্রণা শুরু হলে স্বজনরা তাঁকেও প্রথমে গ্রাম্য ওঝাঁর কাছে নিয়ে যান। পরে তাঁকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
কমেন্ট বক্স