মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দামুড়হুদায় প্রবাসী শ্বশুরের ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপলোড তারিখঃ ১৮-০৯-২০২১ ইং
দামুড়হুদায় প্রবাসী শ্বশুরের ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতিবেদক, ডাকবাংলা: দামুড়হুদা উপজেলার রকিবুল ইসলাম (২৭) ও তাঁর মা রুপালী খাতুনের বিরুদ্ধে (৪৫) বাবুল আক্তার নামে সৌদি এক প্রবাসীর কাছ থেকে বিভিন্নভাবে ১৮ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। রকিবুল হোসেন দামুড়হুদা থানার বাজারপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে। অপর দিকে, প্রবাসী বাবুল আক্তার একই থানার ৭ নম্বর দামুড়হুদা ইউনিয়নের চিৎলা গ্রামের মো. লোকমান সর্দারের ছেলে। ভুক্তভোগী প্রবাসী বাবুল আক্তারের স্ত্রী রহিমা খাতুন বলেন, ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বরে মাত্র ৫ হাজার টাকা কাবিনে পারিবারিকভাবে তাঁর একমাত্র মেয়ে স্বর্নালীকে বিয়ে করেছিলেন রকিবুল হোসেন। বিয়ের পর সংসার চলাকালীন সময়ে তাঁদের ঘরে একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমান ছেলেটির বয়স ৩ বছর ৬ মাস। বিয়ের পর বছর খানেক ভালোভাবে সংসার করলেও তারপর থেকে স্বর্নালীর ওপর চালানো হয় অমানসিক নির্যাতন। পরে চিকিৎসার জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। তিনি বলেন, একমাত্র মেয়ের সুখের কথা ভেবে জামায় রকিবুল হোসেন যা চেয়েছেন, যেভাবে চেয়েছেন, সেভাবেই পূরণ করার চেষ্টা করেছেন তারা। সবমিলে স্বর্নালীর ব্যবহৃত স্বর্নালংকারসহ প্রায় ১৮ লাখ টাকা পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে নিজের কব্জায় নেওয়ার পর পুনরায় যৌতুকের টাকা দাবি করে নাবালক ছেলেসহ স্বর্নালীকে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং পরে তালাক প্রদান করেন। এ বিষয়ে স্বর্নালীর মা রহিমা খাতুন বাদী হয়ে জামাই রকিবুল হোসেনের নামে দামুড়হুদা থানার বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আসামি করা হয়েছে রকিবুলের মা রুপালী খাতুনকেও। এবিষয়ে অভিযুক্ত রকিবুলের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, ‘শ্বশুরের দেওয়া টাকা আমি তাদের কাজেই ব্যবহার করেছি। যার কাগজপত্র আমার কাছে আছে, কোর্টে তা প্রমাণ করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘স্বর্নালী একটা চোর। যে কারণে আমি তাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হয়েছি।’ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মিল্টন হোসেন জানান, ইউনিয়ন পরিষদে তালাকনামার একটি কপি এসেছে। যার প্রেক্ষিতে গত সোমবার দু-পক্ষকে ডেকে বসেছিলাম। স্বর্নালীর বাবা বিদেশ থেকে যে টাকা রকিবুলের কাছে পাঠিয়েছে তার ডকুমেন্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, রকিবুল জানিয়েছে স্বর্নালীর বাবা বিদেশ যাওয়ার সময় বিভিন্ন এনজিও থেকে টাকা লোন নিয়ে গিয়েছিল। তার পাঠানো টাকা তিনি লোন পরিশোধ করেছেন। তবে রকিবুল এ সংক্রান্ত কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে পারেনি বলে চেয়ারম্যান জানান। চেয়ারম্যান আরও জানান, সামনের সোমবার পর্যন্ত রকিবুলকে ডকুমেন্ট নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী নাজমুল হাসান লাভলু জানান, রকিবুলের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও শ্বশুরের বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা আত্মসাতের দায়ে মোট দুটি মামলা হয়েছে। আদালত মামলার তদন্তভার সিআইডির কাছে দিয়েছে। তদন্তের প্রতিবেদন আসলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আদালত।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী