কালীগঞ্জে হত্যা মামলার সাক্ষীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
- আপলোড তারিখঃ
১৮-০৮-২০২১
ইং
ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে শিশু আলামিন হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী তরিকুল ইসলাম পলাশকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। হত্যা মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণেই আসামিরা তাঁকেও হত্যার ছক আটে। আহত পলাশ পুলিশের ওপর হামলা মামলারও সাক্ষী। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত তরিকুল ইসলাম পলাশ কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন বিশ^াসের ছেলে।
আহত পলাশ বলেন, আড়পাড়া এলাকার শিশু আলামিন হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলা মামলার সাক্ষী তিনি। আর এই সাক্ষী হওয়ার কারণে গতকাল মঙ্গলবার সকালে আসামি শওকত আলী বিশ^াস, তাঁর ছেলে অপু বিশ^াস ও ভাই লিটন বিশ^াস অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সবাই পুলিশের ওপর হামলা মামলার আসামি। তিনি অভিযোগ করে সাক্ষী হওয়ার পর থেকেই আসামিরা তাঁর ওপর ক্ষুদ্ধ। বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসত আসামিরা।
পলাশের ভাই মোশাররফ হোসেন জানান, এর আগে তাঁর মা ও বোনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহা. মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, এ ব্যাপারে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। কারণ সাক্ষীদের সুরক্ষার দায়িত্ব পুলিশের।
জানা গেছে, ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর আড়পাড়া এলাকায় বাড়ির পাশে ওয়াজ শুনতে গিয়ে নিখোঁজ হয় মাদ্রাসাছাত্র শিশু আলামিন। ৪ ডিসেম্বর আড়পাড়া এলাকার একটি চারতলা ভবনের পিছন থেকে আল আমিনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশু আলামিনের পিতা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত করতে এসে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের সদস্যরা হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন ঝিনাইদহ পিবিআইয়ের এসআই সোহেল রানা। হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলা মামলার সাক্ষী হন হামলায় আহত তরিকুল ইসলাম পলাশ।
কমেন্ট বক্স