বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আলোচিত মাসুদ রানাসহ তিনজন আটক

  • আপলোড তারিখঃ ০৯-০৮-২০২১ ইং
আলোচিত মাসুদ রানাসহ তিনজন আটক
কুড়ুলগাছিতে চাঁদাবাজ চক্রের হোতা একাধিক মামলার আসামি দর্শনা অফিস: দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামে অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ চক্রের হোতা, একাধিক মামলার আসামি মাসুদ রানাসহ চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে দর্শনা থানার পুলিশ। গত রোববার রাতভর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কুড়ুলগাছি মাঠ থেকে তাঁদের আটক করে। এসময় আটককৃত চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে আদায়কৃত চাঁদার নগদ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃত আসামিরা হলেন- দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামের মতলেব হোসেনের ছেলে মাসুদ রানা (৩৫), একই গ্রামের খোকার ছেলে মানিক (২৫) ও আব্দুর রহিমের ছেলে আব্দুল আল মুবিন (২০)। আটককৃত আসামিদের গতকালই জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে দর্শনা থানায় একটি চাঁদাবাজ মামলা দায়ের করেছেন কুড়ুলগাছি গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী ভুক্তোভোগী সেলিনা খাতুন। মামলা সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন থেকে কুড়ুলগাছি গ্রামের বাজারপাড়ার সাইফুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা খাতুন (৪৪) তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করবে, এরকম পারিবারিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এসময় উক্ত বিষয়টি মতলেব হোসেনের ছেলে মাসুদ রানার কানে গেলে মোবাইল নম্বর ম্যানেজ করে তাঁর স্বামী ২য় বিবাহ করবে না, প্রয়োজনে জেলখানায় পাঠিয়ে দেবে, এমন প্রতিশ্রুতি দেন। পরে এবিষয়ে তিনি তাঁর কথা কর্ণপাত না করলে মোবাইলে রেকর্ড করার কথা পরিবারের সকলকে জানিয়ে দেবে বলে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। একপর্যায়ে তাঁর কাছ থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা চাঁদা নেন। পরে গত পরশু বিকেলে আবারও মাসুদ রানা তাঁর মোবাইলে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে ঘটনাটি তিনি পরিবারের সদস্যদের কাছে জানান। তিনি আরও জানান, ‘এ অবস্থায় রাত ১০টার দিকে আমার বসত-বাড়িতে চাঁদার ১০ হাজার টাকা নিতে আসলে আমার পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা তাদের তিনজনকে ধরতে যায়। পরে দুজন পালিয়ে গেলেও খোকার ছেলে মানিককে ধরে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মানিকের স্বীকারোক্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রামের একটি মাঠ থেকে মতলেব হোসেনের ছেলে মাসুদ রানা ও আব্দুর রহিমের ছেলে আব্দুল আল মুবিনকে গ্রেপ্তার করে। এসময় আসামিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ও চাঁদা আদায়কৃত নগদ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে সোমবার সকালে দর্শনা থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুপুরে আটককৃতদের চুয়াডাঙ্গা জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’ এবিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান কাজল নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরই দর্শনা থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য মানিককে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির স্বীকারোক্তি মোতাবেক রাতভর অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ চক্রের হোতা, জাল টাকা তৈরি চক্রের সদস্য, হত্যা, মাদক কারবারি, পুলিশ পরিচয় ছিনতাই ও প্রতারণা মামলাসহ প্রায় ডজন মামলার আসামি মাসুদ রানা ও একই চক্রের সদস্য আব্দুল আল মুবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দায়েরপূর্বক গতকালই জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’