নেই কোনো স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী, সংক্রমণের শঙ্কা!
- আপলোড তারিখঃ
১২-০৭-২০২১
ইং
আন্দুলবাড়ীয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা
জাহিদ মামুন, আন্দুলবাড়ীয়া:
জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের তিনটি কমিউনিটি ক্লিনিক, একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও একটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছ। এছাড়াও রয়েছে একাধিক টিকাদান কেন্দ্র। এসকল কেন্দ্রে কোনো স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই সেবা দান চলছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাবেক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্বাস্থ্য সহকারী নূরজাহান খাতুন ওরফে কাকলি হ্যান্ড গ্লাভস, পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশসহ কোনো স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই দীর্ঘদিন যাবত জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে আসছেন। প্রাণঘাতি ও মহামারি করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ সংক্রমণের প্রার্দুভাব দিনদিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিনিয়ত সেবা নিতে আসা রোগী, নবজাতক শিশু, গর্ভবতী মা ও কিশোরীদের জীবনও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এছাড়াও আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রে একযোগে টিকাদানের সকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় করোনা উপসর্গ ও করোনা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ব্যাপারে আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী নুর জাহান খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী থেকে আমরা বঞ্চিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রীসহ সরকারি প্রণোদনা ও ঝুঁকি ভাতার দাবি জানাই।’
এ ব্যাপারে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সেলিমা আক্তারের নিকট মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী আছে। আমরা ইতোপূর্বেও উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারীদের নিকট সকল প্রকার স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করেছি। হঠাৎ যদি কোনো স্বাস্থ্য সহকারীর স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী শেষ হয়ে যায়, তাহলে দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’
কমেন্ট বক্স