জটলা পাকিয়ে সোনালী ব্যাংকের ভাতা বিতরণ!
- আপলোড তারিখঃ
২৯-০৬-২০২১
ইং
ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু উর্ধ্বগতির মুখে যখন কঠোর বিধি-নিষেধ পালিত হচ্ছে, ঠিক তখন জটলা পাকিয়ে ঝিনাইদহ সোনালী ব্যাংকের ভাতার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। এতে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার ঝিনাইদহ শহরের উজির আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিধবা ভাতার টাকা বিতরণ শুরু করে সোনালী ব্যাংক ঝিনাইদহ শাখা। এসময় সদর উপজেলার সুরাট ইউনিয়নের ১৭৩ জন বিধবার মাঝে বকেয়া থাকা গেল বছরের জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের টাকা দেওয়া হয়। এভাবে জনসমাগম ঘটিয়ে ভাতার টাকা বিতরণে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতনমহল।
সদরের সুরাট ইউনিয়নের বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম জানান, সকাল ৮টা থেকে বিধবা ভাতার টাকা নেওয়ার জন্য সোনালী ব্যাংকে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে স্কুলমাঠে উপস্থিত হতে বলা হয়। সেই থেকে মাঠে এসে বসে আছি। আমার মতো শতাধিক বিধবা জটলা পাকিয়ে বসে আছে।
সুরাট গ্রামের মারিয়া বেগম বলেন, ভাতার টাকা নিতে এসে দেখি সবাইকে এ জায়গায় জড়ো হয়ে বসে আছে। কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহের মানবাধিকার নেতা অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু জানান, এটা খুবই দুঃখজনক। করোনার এমন পরিস্থিতিতেও এভাবে জটলা তৈরি করে ভাতা বিতরণ করা হচ্ছে। এই জটলা থেকে যদি কেউ করোনা আক্রান্ত হয়, তার দায়ভার কে নেবে? সুতরাং প্রশাসনেরও এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার ছিল। সতর্ক থাকা উচিৎ ছিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের।
এবিষয়ে সোনালী ব্যাংক ঝিনাইদহ শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার আবুল কালাম বলেন, কিছু ভাতার টাকা বকেয়া ছিল। এখানে এসে সে টাকা দিচ্ছি। আমরা বলছিলাম গ্রহীতাদের দূরে সরে থাকতে। কিন্তু তারা তা মানছে না। তারা না মানলে আমরা কি করতে পারি বলুন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, জটলা পাকিয়ে ভাতা বিতরণের বিষয়টি জানলাম। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
কমেন্ট বক্স