বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা, ইজিবাইক জব্দ

  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৬-২০২১ ইং
ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা, ইজিবাইক জব্দ
চুয়াডাঙ্গায় লকডাউনের ৮ম দিনে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন নিজস্ব প্রতিবেদক: রোববার ২৭ জুন সকাল থেকে শহরের অবস্থা দেখে মনেই হয়নি চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা লকডাউনের আওতায়। মানুষের আনাগোনা এবং ভিড় দেখে মনে হয়েছিল মানুষের মাঝে ঈদের কেনাকাটার ধুম পড়েছে। যে ইজিবাইক চালকদের লাইনে দাঁড়িয়ে জেলা প্রশাসনের দেওয়া ত্রাণ-সামগ্রী নিতে দেখা গেছে, তাদেরকেই দেখা গেছে গাদাগাদি করে যাত্রী বোঝাই করে ইজিবাইক চালাতে। চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আলী হোসের মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মাঝে যেন বেঁচা-বিক্রির ধুম পড়েছিল। শহরের সোনাপট্টি, পুরাতন গলি এবং কাঁচা বাজারে ও ফেরিঘাট সড়কে জনতার ঢল নেমেছিল। কারও মাঝেই ছিল না করোনার ভয়। খবর পেয়ে সেখানে জেলা প্রশাসনের একাধিক টিম পৌঁছালে কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হয়। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতে একের পর এক জরিমানায় নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। চুয়াডাঙ্গা শহরে জনসমাগম বেড়ে যাওয়ার খবরে গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসনের একাধিক টিম চুয়াডাঙ্গা শহরের শহিদ হাসান চত্বরের আশপাশে অভিযান চালায়। এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম আলী হোসেন মার্কেটে যায়। সেখানে আগের দিন অভিযান চালিয়ে সকলকে সতর্ক করে দেওয়া এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করার পরেও ওই মার্কেটের বেশ কিছু ব্যবসায়ী দোকান খোলা রেখে ব্যবসায়িক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ হোসেন সেখানে গেলে সাবাই দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। পালাতে পারেনি আগের দিন ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা দেওয়া এক ব্যবসায়ী। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ফিরোজ হোসেন বলেন, গত শনিবার শহরের আলী হোসেন মার্কেটে অভিযান চালিয়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে তাঁকে পরবর্তীতে দোকান না খোলার জন্য বলা হয়। গতকালও ওই ব্যক্তি তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে রেখেছিলেন। ওই অপরাধে সেই ব্যবসায়ীকে গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে আলী হোসেন মার্কেটের সামনে থেকে ৪টি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। এদিকে, গতকাল একই সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সবুজ কুমার বসাকের নেতৃত্বে শহিদ হাসান চত্বরে অভিয়ান চালানো হয়। এসময় করোনার সংক্রমণ অমান্য করায় ৬টি মামালায় ৬ জনকে ২ হাজার ৩ শ টাকা জরিমানা করা হয়। অপর দিকে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের নেতৃত্বে শহিদ হাসান চত্বরে অভিযান চালানো হয়। এসময় লকডাউন উপেক্ষা করে বাইরে বের হওয়ার অপরাধে ২টা মামলায় ২ জনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে সহযোগিতা করেন পুলিশ, আনসার ও বিজিবি সদস্যরা।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’