ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তরের ক্লার্ক, এখন কোটিপতি
- আপলোড তারিখঃ
১৬-০৬-২০২১
ইং
প্রতিবেদক, মেহেরপুর:
মেহেরপুরের খাদ্য অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত ক্লার্ক খবির উদ্দিন এখন অর্ধশত কোটি টাকার মালিক। চাকরিকালীন সময়েই করেছেন বাগান-বাড়িসহ ৫টি বাড়ি, ৫০ বিঘা মাঠান জমি ও চাতাল। তবে এনিয়ে যেই প্রশ্ন তুলে উল্টো তার নামেই চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানিও করান তিনি। খবির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যাওয়া তিনি নিজের আপন ভাই, ভাতিজা, ভাবির নামেও করেছেন প্রায় ২৮টি মামলা। খবির উদ্দিনের পিতা মৃত আ. করিম ছিলেন মেহেরপুর ডিসি কোর্টের অফিস সহায়ক। ২০২০ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনে খবির উদ্দিনের বিরুদ্ধে আবেদন করেন তার নিজের আপন ভাই আব্দুল মালেক। কিন্তু কিছুই হয়নি খবির উদ্দিনের। অভিযোগ রয়েছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সে দফা তদন্ত কর্মকর্তাদের তিনি ম্যানেজ করে সবকিছু ঠিকঠাক করে নেন। ফলে তদন্ত আর এগোয়নি।
এলাকাবাসী ও খবির উদ্দিনের স্বজনেরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চাকরি জীবনে তিনি মেহেরপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে দুতলা বাড়িসহ ৪টা বাড়ি কিনেছেন। যার একেকটির মূল্য তৎকালীন সময়েই ছিল কোটি টাকা। শহরের মায়ামারি রোডে কয়েক বিঘা জমি নিয়েও করেছেন বাগান-বাড়ি। শহরের তাহের ক্লিনিকের পেছনে ও মায়ামারি মাঠে, শিশুবাগানপাড়ায় রয়েছে ৩০ বিঘা মাঠের জমি। এছাড়া শহরের তাহের ক্লিনিকের পেছনে কোটি টাকা দিয়ে গড়ে তুলেছেন আধুনিক চাতাল। পৈত্রিক সূত্রে কোনো জমিজমা না থাকলেও একজন ক্লার্ক এতো সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন এ প্রশ্ন এলাকাবাসীর?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খবির উদ্দিনের এক ভাই বলেন, ‘তাঁর অত্যাচার থেকে আমরাও রেহায় পাইনি। আমাদের পরিবারের নারী শিশুরাও তার কাছে নিরাপদ নয়। আমাদের পরিবারের নারী-শিশুকে বিভিন্ন সময় মামলা করিয়ে হয়রানি করিয়েছেন। এলাকাবাসীও তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। কথায় কথায় সে মামলা করে মানুষকে হয়রানি করায়। আমারসহ এলাকাবাসীর দাবি সঠিকভাবে তার দুর্নীতির তদন্ত করা হোক।’
এবিষয়ে খবির উদ্দিনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘মোবাইলে নয় সরাসরি একসময় দেখা করে কথা বলব।’
কমেন্ট বক্স