জীবননগরের সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান মঈন বরখাস্ত
- আপলোড তারিখঃ
০২-০৬-২০২১
ইং
জীবননগর অফিস:
বিদেশে লোক পাঠানোর নামে টাকা আত্মসাৎ মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মো. আবু জাফর রিপন স্বাক্ষরিত ওই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন হাতে পান সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শামীম সরোয়ার। এর আগে গত সোমবার বিকেলে প্রজ্ঞাপনটি সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদে পাঠান জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এস এম মুনিম লিংকন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ২৪ জানুয়ারি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হন সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েন। এ ঘটনার পর চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই চেয়ারম্যানের দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদে ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় বলে মনে করে সরকার। এছাড়া তাঁর দ্বারা সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এর ধারা ৩৪(১) অনুযায়ী তাঁকে তাঁর স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। এ আদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারি করা হলো এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
গত ১৭ মে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রজ্ঞাপনটি পাঠায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি বিদেশে লোক পাঠানোর নামে টাকা আত্মসাৎ মামলায় আদালত মঈন উদ্দিনের অনুপস্থিতিতে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের রায় দেন আদালত। ২৬ জানুয়ারি সাজাপ্রাপ্ত মঈন উদ্দিন ময়েন চুয়াডাঙ্গা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠনোর নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান।
কমেন্ট বক্স