বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দর্শনা দিয়ে আরও ১২ জনের দেশে প্রবেশ

  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০৫-২০২১ ইং
দর্শনা দিয়ে আরও ১২ জনের দেশে প্রবেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে আরও ১৩ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। নতুন প্রবেশ করা এই ১৩ জন বাংলাদেশির মধ্যে কারও শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি। এ নিয়ে দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে গত ১০ দিনে মোট ৭০৬ জন দেশে ফিরলেন। এর মধ্যে মোট ১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদিকে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পরীক্ষার জন্য ৯ জন পজিটিভ রোগীর নমুনা আইইডিসিআর এ প্রেরণ করা হয়েছে। জানা যায়, গতকাল শুক্রবার কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ছাড়পত্র (এনওসি) নিয়ে দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে আরও ১৩ জন দেশে ফিরেছেন। ভারত ফেরত এই ১৩ জনেকে কোয়ারেন্টাইনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তায় মাইক্রোবাসযোগে মেহেরপুরে নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার লকডাউনে ভারতে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এরপর ১৬ মে খুলে দেওয়া হয় দর্শনা চেকপোস্ট। ভারতে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের ওইদিন থেকে দেশে ফেরার কথা থাকলেও কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ছাড়পত্র (এনওসি) সংক্রান্ত জটিলতায় সেদিন কেউ দেশে ফিরতে পারেননি। তবে পরদিন ১৭ মে ১১ জন দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেন। ১৭ মে থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত বারোদিনে দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে মোট ৭০৬ জন দেশে ফিরেছেন। এরমধ্যে ১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাঁদেরকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও যারা করোনা আক্রান্ত নন তবে গুরুতর রোগী যেমন ক্যান্সার, হার্ট এবং অন্যান্য অপারেশন করতে ভারতে গিয়েছিলেন তাদের সদর হাসপাতালের বোয়ারেন্টানে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে তারা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরার জন্য প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত ইমিগ্রেশনের সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে দু দেশেই। বাংলাদেশের কলকাতা দূতাবাস থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট যাদেরকে দেয়া হয়েছে তারা যেকোন দিন দর্শনা বন্দর চেকপোস্ট দিয়ে ফিরতে পারবেন। এখন পর্যন্ত সর্বশেষ ৭৯৯ জনের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট এসেছে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের হাতে। এসব বাংলাদেশীদের দর্শনা বন্দর দিয়ে ফিরে আসতে জেলা প্রশাসন থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সাত সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। চারজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সার্বক্ষনিক বন্দরে কাজ করছেন। এ ছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও কাজ করছেন। ভারত ফেরত যাত্রীদের জেলা প্রশাসনো ব্যবস্থাপনায় বাস, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সে করে পুলিশ প্রহরায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নেয়া হচ্ছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’