সীমান্ত ইউনিয়নবাসীর দুর্ভোগ চরমে!
- আপলোড তারিখঃ
২৮-০৫-২০২১
ইং
দীর্ঘদিন যাবত রাস্তার বেহাল দশা, নেই পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা
জীবননগর অফিস:
রাস্তা সংস্কার না করা এবং পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা না থাকায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে জীবননগর উপজেলার ৪ নম্বর সীমান্ত ইউনিয়নের গঙ্গাদাশপুর, যাদবপুর, কয়াসহ একাধিক গ্রামের রাস্তা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গঙ্গাদাশপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের বাড়ি থেকে পাথিলা পর্যন্ত রাস্তার ওপর হাঁটু কাদা এবং রাস্তার পাশে মাটি দিয়ে বেধে রাখায় রাস্তার ওপর হাঁটুপানি বেধে রয়েছে। একই অবস্থা যাদবপুর গ্রামের মূল সড়কে নদী খননের মাটির কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। বিশেষ করে যাদবপুর ও কয়া গ্রামের মূল সড়কের সংযোগস্থল যাদবপুর মোড় থেকে কয়া বটতলা, যাদবপুর মোড় হয়ে গ্রামের শেষ সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা করতোয়া নদী খননের মাটির স্তূপের কারণে বর্ষার মৌসুমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে। এখন ১০ মিনিটের রাস্তা যেতে সময় লাগছে এক ঘণ্টা। দেখে মনে হচ্ছে রাস্তা নয়, যেন ধানখেত। জমে থাকা পানি কাদামাটি ও আবর্জনার সঙ্গে মিশে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী থাকায় রাস্তার হাঁটা-চলা করতে পারছে না এলাকাবাসী। সাধারণ জনগণ অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করছেন।
ভ্যান চালক মজনু বলেন, অনেক দিন থেকেই রাস্তার অবস্থা বেহাল। তারপরে নদী খননের মাটি রাস্তার ওপরে রাখার কারণে এখন রাস্তাটি একেবারে খারাপ হয়ে গেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের জানান, ‘গঙ্গাদাশপুর গ্রামের রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। যদি আমি মৃত্যুবরণ করি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রশাসনের আমার বাড়িতে আসতে কষ্টদায়ক হবে।’
এ বিষয়ে ৪ নম্বর সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়েনউদ্দীন ময়েন বলেন, গঙ্গাদাশপুর, যাদবপুরসহ বেশ কিছু রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন করেছি। আশা করি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আমার ইউনিয়নবাসীর দুর্ভোগ থেকে লাঘব হবে।
কমেন্ট বক্স