বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে গরু ব্যবসায়ী হাসপাতালে!

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-০৫-২০২১ ইং
চুয়াডাঙ্গায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে গরু ব্যবসায়ী হাসপাতালে!
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া কামরুল আলী (৩৬) নামের এক গরু ব্যবসায়ীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চুয়াডাঙ্গা একাডেমি মোড় বাসস্টান্ডের কর্মীরা তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া কামরুল আলী সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের বসুভাণ্ডারদহ গ্রামের কাতব আলীর ছেলে। জানা যায়, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আলমডাঙ্গা গরুর হাটে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় কামরুল। একাডেমি মোড় থেকে আলমডাঙ্গার উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা-কুষ্টিয়া রুটের একটি বাসে চড়ে সে। বাসের মধ্যে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে কামরুল। বাস আলমডাঙ্গা ছেড়ে কুষ্টিয়া পৌছালে বাসের হেল্পার অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর ওই বাসেই কামরুলকে চুয়াডাঙ্গায় নেওয়া হয় ও তাঁর সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদেরকে খবর দেওয়া হয়। চেতনা না ফেরায় চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ কামরুলকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুলকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখেন। কামরুলের মা সামেনা বেগম জানান, ‘কামরুল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আলমডাঙ্গা গরুর হাটে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে ফোন করে জানানো হয়, কামরুল অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছে। তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তিনি ও পরিবারের অন্য সদস্যরা সদর হাসপাতালে ছুটে আসে।’ জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহানা আহমেদ বলেন, ‘সন্ধ্যা সাতটার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি অচেতন অবস্থায় কামরুল নামের এক রোগীকে জরুরি বিভাগে নেয়। তিনি অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছিলেন বলে জানতে পেরেছি। খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে তার শরীরে চেতনানাশক ওষুধ দেওয়া হয়েছে বলে দারণা করা হচ্ছে। জরুরি বিভাগ থেকে তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি রাখা হয়েছে। তার জ্ঞান ফিরতে ২৪ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। বাজারে বেশ কয়েক ধরনের ঘুমের ওষুধ আছে। এর মধ্যে কিছু আছে ‘ট্রাঙ্কুলাইজার’ চেতনানাশক বা তীব্র ঘুমের ওষুধ। এটা খাওয়ানো বা ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে। কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার আগের বা পরের ঘটনা মানুষ মনে করতে পারে না।’ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পার্টির খপ্পরে পড়া কামরুল আলী সদর হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’