চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে আম ব্যবসায়ীর মৃত্যু, নারীসহ দুজন হাসপাতালে
- আপলোড তারিখঃ
২৪-০৫-২০২১
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে আশাদুল ইমলাম (৩৮) নামের এক পাওয়ারট্রিলার চালকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বজ্রপাতে আহত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক নারীসহ আরও দুজন। গতকাল রোববার দুপুর সাড়ে ১২টা ও বেলা ২টার দিকে সদর উপজেলার বেলগাছি ও শ্রীকোলে পৃথক দুটি বজ্রপাতে একজন নিহত ও দুজন আহতের ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা আহত দুজনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের ভর্তি করা হয়। নিহত আশাদুল ইসলাম সদর উপজেলার শঙ্করচঁন্দ্র ইউনিয়নের হানুরবাড়াদী গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে। আহতরা হলেন- শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের শ্রীকোল গ্রামের বসতীপাড়ার মৃত লাল মুহাম্মদের ছেলে রবিউল ইসলাম (৬০) ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বলগাছি মাঝেরপাড়ার ফিরোজ হোসেনের স্ত্রী সাগরিকা বেগম (৩৫)।
জানা যায়, বেলা ২টার দিকে আশাদুল ইমলাম শ্রীকোল গ্রামের স্কুলপাড়ায় রবিউল ইসলামের সঙ্গে তাঁর আম বাগানে দাঁড়িয়ে থেকে আম ভাঙা দেখছিলেন। এসময় হঠাৎ করে তাঁদের নিকটের একটি গাছে বজ্রপাত ঘটে। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই আম ব্যবসায়ী আশাদুল ইসলামের মৃত্যু হয়। বজ্রপাতে গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন রবিউল ইসলাম। এসময় স্থানীয় ব্যক্তিরা দ্রুত রবিউল ইসলামকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। করে খবর পেয়ে আশাদুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরে।
বজ্রপাতে আহত রবিউল ইসলামের বিষয়ে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন বলেন, ‘বজ্রপাতে রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছে। তবে তাঁর অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। জরুরি বিভাগে থেকে তাঁকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।’
এদিকে, দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে নিজ বাড়ির ছাদে ধান শুকাচ্ছিলেন সাগরিকা বেগম। এসময় হঠাৎ করে পাশের বাড়ির নারকেল গাছে বজ্রপাত ঘটলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ছাদের ওপর অচেতন হয়ে পরে যায় সাগরিকা। পরে পরিবারের সদস্যরা সাগরিকাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি রাখেন।
ডা. সাইদুজ্জামান বলেন, ‘রোগীর নিকটের একটি গাছে বজ্রপাতের কারণে সে চেতনা হারিয়ে ফেলে। চোখের সামনে ও খুব কাছে বজ্রপাতের ফলে রোগী আতঙ্কিত ও ভয় পেয়ে অচেতন হয়ে পরে। তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।’
কমেন্ট বক্স