বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দুদিনে জেলায় প্রায় ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৪-২০২১ ইং
দুদিনে জেলায় প্রায় ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায়
চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত প্রশাসনের তৎপরতা বাড়লেও, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা বাড়েনি নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আবারও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে প্রশাসন। একদিনেই বেড়েছে মোবাইল কোর্টের সংখ্যা তথা জরিমানার পরিমাণ। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা না মানায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে গতকাল মঙ্গলবার ২১ জনের কাছ ৮ হাজার ৭ শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। দোকানপাট খোলার প্রথম দিনে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলার বিভিন্ন স্থানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। দিনব্যাপী প্রশাসনের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে জেলাব্যাপী। চুয়াডাঙ্গা নিচের বাজার থেকে শুরু করে সমবায় নিউ মার্কেট, আব্দুল্লাহ সিটি, ফাতেমা প্লাজা, প্রিন্স প্লাজা কিংবা আলী হোসেন সুপার মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হতে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি দোকান, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন, জনসমাবেশ বন্ধ করা, বাজার মনিটরিং এবং সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে দিনব্যাপী পুলিশের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী ৫টি মোবাইল কোর্টে ১৯টি মামলায় ২১ জনের কাছ ৮ হাজার ৭ শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তবে প্রশাসনের তৎপরতা বাড়লেও, ক্রেতা-বিক্রেতাসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা বাড়েনি। চুয়াডাঙ্গা শহরজুড়ে ঈদ বাজারে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে গতকাল মঙ্গলবারও। সাধারণ মানুষ একেবারেই স্বাস্থ্যবিধি মানতে নারাজ। শপিংমল-মার্কেটে লক্ষ্য করা গেছে স্বাস্থ্যবিধির অনীহা। ক্রেতা যেমন মানতে চাচ্ছেন না, তেমনি বিক্রেতারও দেখা যায়নি তৎপরতা। বিক্রেতাদের করোনা সংক্রমণে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর জন্য বেশ কয়েকটি নির্দেশনা প্রতিপালন করতে বলা হলেও, কেউই নিচ্ছেন না তেমন কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ। দু-একটি দোকান বাদে কোথাও চোখে পড়েনি হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার। সবমিলিয়ে, চুয়াডাঙ্গা শহরজুড়ে আবারও সংক্রমণের বড় ধরনের শঙ্কায় দেখা গেছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’