মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

সম্প্রতি অরিন্দম সাংষ্কৃতিক সংগঠনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আলমডাঙ্গা ঐতিহাসিক কলাকেন্দ্রের সাফল্য অর্জন

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০১-২০১৭ ইং
সম্প্রতি অরিন্দম সাংষ্কৃতিক সংগঠনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আলমডাঙ্গা ঐতিহাসিক কলাকেন্দ্রের সাফল্য অর্জন

`wywwy`

আলমডাঙ্গা অফিস: সম্প্রতি অরিন্দম সাংষ্কৃতিক সংগঠনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলার শ্রেষ্ঠ সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসাবে আলমডাঙ্গা কলা কেন্দ্রকে পুরষ্কার তুলে দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। আবহমান বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতির রূপ-লাবন্য ধারণ লালন এবং তা বিকাশে ও প্রসারের ব্রত নিয়ে ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় প্রতিষ্ঠা করা হয় কলাকেন্দ্র। নিভৃত পল্লীর ঘাসফুলের ঘ্রানময় মেঠো পথের কিনারে নোঙর করে কলাকেন্দ্র নামের সংগঠনটি, যার হাল ধরেন রেবা রানী সাহা নামের এক কারিগর। এই কারিগরের দক্ষ পরিচালনায় ও একনিষ্ঠ সেবায় প্রতিষ্ঠানটি নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি চর্চায় হয়ে ওঠে বাঙালি সংষ্কৃতি চর্চার অনুকরণীয় আদর্শ। সংগঠনটি শিশু-কিশোরদের মনে যে প্রগতিশীল স্বপ্ন বপন করে চলেছে তা প্রশংসার দাবী রাখে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক রেবা রানী সাহা। বর্তমানে রেবা রানী রেবা বানী সাহা ও ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে সাংগঠনিক কার্যক্রম দুরত্ব গতিতে এগিয়ে চলেছে। ২০০১ সালের ১৭ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব মহোদয় ড. এস.এ সামান ও রাজনৈতিক সচিবদ্বয়ের চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউজে অবস্থান কালীন সময়ে তাঁদের সম্মানে আলমডাঙ্গা কলাকেন্দ্রের শিল্পীদের সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। ২০০১ সালের ২৭ জুলাই বাংলাদেশ টেলিভিশনে ৩০ মিনিটের অঞ্চল ভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘নিবেদন’ কলাকেন্দ্রের পরিবেশনায় প্রচারিত হয়। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে অডিশনের মাধ্যমে কলাকেন্দ্রের পিংকী ও কৃপা কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে নৃত্য শিল্পী হিসাবে বিটিভি কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত ও নিয়মিত নৃত্য শিল্পী হিসাবে তালিকাভূক্ত হয়। ২০১৪ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সুবর্ণ জয়ন্ত্রী উপলক্ষ্যে তৃর্ণমূল পর্যায়ে শিল্পী বাছায় পর্বে সারাদেশের নজরুলগীতিতে ২য় স্থান ও লালনগীতিতে ১ম স্থান অধিকার করায় মাননীয় তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জাতীয়ভাবে রনী খাতুনকে সনদ ও পদক প্রদান করেন। ২০১৫ সালে রজনী খাতুন আবারও আন্তঃপ্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সারাদেশে দেশাত্ববোধক গানে ৩য় স্থান অধিকার করায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে জাতীয়ভাতে সনদ ও পদক গ্রহন করে। রজনী খাতুন বর্তমানে বিটিভি সহ সকল বেতারে তালিকাভুক্ত শিল্পী। তমা রানী বিশ^াস ‘জাতীয় শিক্ষু-কিশোর প্রতিযোগীতা’ ২০১৫-এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সারাদেশে লোক সংগীতে ১ম স্থান অধিকার করায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ এর নিকট হতে জাতীয়ভাবে সনদ ও স্বর্ণ পদক গ্রহণ করে। ২০১৬ সালে মাধ্যমিক শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগীতায় তমা রানী বিশ^াস আবারও হামদ্ নাত-এ সারাদেশে `শ্রেষ্ঠ` হওয়ার গৌরব অর্জন করায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট হতে পুরষ্কার গ্রহণ করে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী