মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দর্শনা মোবারক পাড়ার স্ত্রী নির্যাতনকারী জুয়েল অবশেষে শ্রীঘরে

  • আপলোড তারিখঃ ১৩-০১-২০১৭ ইং
দর্শনা মোবারক পাড়ার স্ত্রী নির্যাতনকারী জুয়েল অবশেষে শ্রীঘরে

`Jual`নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌর এলাকার মোবারকপাড়ার জুয়েল অবশেষে স্ত্রী বুলবুলিকে নির্যাতনের অভিযোগে এখন শ্রীঘরে। চুয়াডাঙ্গা জেলা লোকর্মোচার সাহায্য নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টে মামলা দায়ের করে জুয়েলের শ্বশুর সেই মামলায় গতকাল হাজিরা দিতে আসলে বিজ্ঞ আদালত স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত জুয়েলকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এবিষয়ে জুয়েলের স্ত্রী সাহানা আফোরজ বুলবুলি সাংবাদিকদের জানায়, শাশুড়ীর সাথে ঝগড়াঝাটি হয়। এরপর জুয়েল তার স্ত্রীকে গত ২৫/১০/২০১৬ তারিখে বুলবুলির বাবাকে বলে তোমার মেয়ে নিয়ে যাও। আমার মা একটু শান্ত হলে আবার নিয়ে আসবো। এরপর বুলবুলির বাবা তার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরদিন ২৬/১০/২০১৬ তারিখে জুয়েল তার স্ত্রীকে তালাক নামা পাঠিয়ে দেয়। এঘটনার পর মহিলা কাউন্সিলর জাহানারা বেগম ও এলাকার লোকজন নিয়ে সালিশ বৈঠক করেন। এসালিশ বৈঠকে বুলবুলির বারা মইনদ্দিন বলেন এবারের মত আমার মেয়ের ভূল মাপ করে দিয়ে ঘরে নেন। অথচ বুলবুলি কোন ভূল করেনি বলে জান যায়। বুলবুলির বাপ আরও বলেন আমি স্ট্যাম্পে লিখে দিচ্ছি, এরপর যদি আমার মেয়ে কোন অন্যায় করে আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করবো না। এসময় সালিশ বৈঠকে মহিলা কাউন্সিলর জাহানারা বেগম, যুব নেতা চঞ্চল, জাসদ নেতার স্ত্রী আফরোজা, দিপুর মাসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এসালিশ বৈঠকে সবাই মেনে নিলেও জুয়েল ও তার বড় ভাই শান্ত মেনে নিতে পারেনি। বরং জুয়েলের বড় ভাই শান্ত মাষ্টার বুলবুলির ঘরের জিনিসপত্র বের করে উঠানে ছুড়ে ফেলে দিয়ে ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর মঈনদ্দিন তার মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে পাঠানোর জন্য দর্শনা পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমানের নিকট আবেদন করেন। এসময় মেয়র মতিয়ার রহমান ১৫দিনের সময় দিলেও জুয়েল তার স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে যায়নি। তখন বাধ্য হয়ে মেয়র মতিয়ার রহমান স্বারক সংখ্যা-দঃ পৌরঃ/২০১৬/৪১৬ একটি ১৩১/১৬ মোতাবেক সালিশ সভার প্রতিবেনপত্র দিয়ে কোর্টে মামলা করার পরামর্শ দেন। এরপর মঈনদ্দীন চুয়াডাঙ্গা জেলা লোকর্মোচার সাহায্য নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টে মামলা দায়ের করে। জুয়েল এমামলায় হাজিরা দিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। উল্লেখ্য, এ সে শান্ত মাষ্টার তার স্কুলে ছাত্রীর সাথে প্রেম করে নিজের বউকে বাড়ি তাড়িয়ে দেয়। চাকুরী বাঁচাতে আবার তার স্ত্রীকে নিয়ে ঘর করছে। এঘটনা একটি স্থানীয় পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ হয়েছিল। মোবারক পাড়াসহ এলাকার সবাই তা দেখেছে। এখন তার ছোট ভাইয়ের বউকে নির্যাতন করে তালাক দিতে উৎসাহিত করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী