মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ধান্যঘরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পারিবারিক স্কুল নামে পরিচিত পড়াশোনা তলানীতে : শিক্ষকদের বদলীর দাবী

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-১২-২০১৬ ইং
ধান্যঘরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পারিবারিক স্কুল নামে পরিচিত পড়াশোনা তলানীতে : শিক্ষকদের বদলীর দাবী

`IMG_20161226_130550`কার্পাসডাঙ্গা অফিস: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ধান্যঘরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এখন পারিবারিক স্কুল নামে এলাকায় পরিচিত পেয়েছে। জানা গেছে, ধান্যঘরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি ইমদাদুল হক। সভাপতির স্ত্রী আলিয়া খাতুন, সভাপতির বোন শেফালী ও সভাপতির ভাইয়ের বউ শাহিনা খাতুন একই স্কুলের সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছে যার ফলে বিদ্যালয় টিকে অনেকে পারিবারিক স্কুল নামে আখ্যায়িত করেছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে অনেকে জানান অনেক সময় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এই তিন শিক্ষক বিভিন্ন সময় স্কুল ফাঁকি দিয়ে বাসায় চলে আসে স্কুল থেকে বাসা কাছে হওয়ায়। স্কুলের দপ্তরী আলামিন কে দিয়েও ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করানোর অভিযোগ তোলেন কেউ কেউ। ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক সময় প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ তোলেন অনেকে। তবে তারা পরস্পর আপন আত্মীয় হওয়ায় বিদ্যালয়ে পারিকারিক গল্প নিয়ে মেতে থাকেন এমন অভিযোগ ও রয়েছে ঐ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয় টির পড়াশোনার মান ঠিক রাখতে অতিদ্রুত এই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা ও অনত্র বদলীর ব্যবস্থা করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসীসহ সচেতন মহল। এ বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের সভাপতি ইমদাদুল হকের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন। আমার সম্বন্ধে আপনার জানা নেই। আমি সোজা মানুষ আমার বোন হক আর বউ হক তাকে অবশ্যই ঠিকমত ক্লাস নিতে হবে কোন ছাড় নেই। এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহিদ বলেন এ ধরনের কোন সমস্যা নেই। তবে এলাকাবাসীর অনেকে নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন এই তিন শিক্ষককে অন্যত্র দ্রুত বদলী না করলে ধান্যঘরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান একেবারে তলানীতে ঠেকে যাবে বলে মন্তব্য করেছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী