
বদরগঞ্জ প্রতিনিধি: জরাজীর্ন শরীর আর খাদ্য তালিকায় জনাব ডাক্তারের বিধি নিষেধ উনি আর প্রোটিন জাতীয় খাদ্য-খাবার খেতে পারবেন না। না মাংশ, না ডিম, না দুধ মিষ্টি। একদিকে ডায়াবেটিস, আরেক দিকে উচ্চ রক্তচাপ, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা না জানি কখন কি হয়ে যায়। সব মিলিয়ে কোনহালে বেঁচে থাকার তাগিদে ডাক্তারের সৎ পরামর্শ তেল, চবির্, ভাঁজা, মসলা জাতীয় যুক্ত সকল খাবার বন্ধ করতে হবে। উপায় নেই ডাউল আর আলু ভর্তাই খাদ্য তালিকার শেষ সংস্করণ। মনের অজান্তে নাকি-একটু হলেও ক্ষোভে এমন আকুতির কথা বলে বসলেন ঝিনাইদহ জেলার জনৈক এক কৃষি কর্মকর্তা। গল্পটি চলছিলো এলাকার কোন একটি চায়ের দোকানে। এমন গল্পের শেষ শব্দটি কি হয় তা শুনতে আমিও আড়ি পাতলাম আড়ালে। কৃষি কর্মকর্তা হিসাবে উনার পদ-চারণা একটু উপরেই। কিন্তু কথাই আছে গোলাম হোসেন উপায় নেই। বলছিলেন কৃষি কর্মকর্তা, জীবনের অনেকটা সময় পার করে এলাম। গাড়ি, বাড়ি টাকা পয়সা খ্যাতি জষ কোন কিছুর অভাব নেই। হঠাৎ করেই ধরা পড়লো আমি ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়েছি। এর পর একের পর এক রোগে আক্রন্ত হতে থাকলাম। ইচ্ছে হলেও আর খেতে পারিনা মাছ-মাংশ, ডিম, দুধ, মিষ্টি ভালো কোন খাবার। ইতি মধ্যে চায়ের পাঠ শেষ করে উঠে গেছে অনেকেই। গল্পের রেশ টুকু তখনও শেষ হয়নি। অবশেষে তিনি বলে বসলেন, নিষেধাজ্ঞা খাদ্য তালিকার মধ্যে এখন আর কোন কিছুই খায়না। শুধু মাত্র খাওয়ার মধ্যে ঘুষ টুকুই খেয়ে থাকি। প্রিয় পাঠক, বেঁচে থাকা জীবনের আলোকে মৃত্যুর ঘন্টা বেঁজে উঠে কার, কখন, কোথায়, কিভাবে তা যেমন বলা যায়না। তথাপি নিজেকে সুস্থ রাখতে হলে থাকতে হলে নিঃশ্চয় সকল প্রকার অপকর্ম দূর্নীতি থেকে সরে আসতে হবে। এখন আর কোন কিছুই খায়না, খাওয়ার মধ্যে শুধু মাত্র ঘুষ টুকুই খেয়ে থাকি এমন পথও পরিহার করতে হবে সকল প্রকার কর্মকর্তা কর্মচারীদের। এমন প্রত্যয় হোক সবার মাঝে।
সমীকরণ প্রতিবেদন