মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আলমডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সকে প্রাইভেট হাসপাতাল করার প্রতিবাদে যুবসমাজের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

  • আপলোড তারিখঃ ২২-১১-২০১৬ ইং
আলমডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সকে প্রাইভেট হাসপাতাল করার প্রতিবাদে যুবসমাজের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

`IMG_20161121_105028`

আলমডাঙ্গা অফিস: মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে গতকাল আলমডাঙ্গায় সকাল ১০টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সকে প্রাইভেট হাসপাতাল করার প্রতিবাদে যুবসমাজের ব্যনারে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। তাদের দাবি বর্তমান সরকার মক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহারের জন্য নির্মাণ করেছেন। অথচ, আলমডাঙ্গার বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শফিউর রহমান জোয়ার্দ্দার সুলতান এটাকে পপুলার মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ) কে ভাড়া দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পবিত্রতা নষ্ট করেছে। এসময় মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সাদেকুর রহমান পলাশ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আদিল, জীবন রহমান, মামুনুর রশীদ, বন্ধু সংগঠন প্রাইডের সভাপতি মাসুদ সালেহীন, সম্পাদক আশিক আদনান, সামসুজ্জামান মানিক, লিয়াকত আলী, আজম সোহেল স্মৃতি সংঘের ফয়সাল রোমিও, ফারুক এলাহী, কলেজ ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিন, সাইফুল, যাদব, রাসেল, সেন্টুসহ প্রায় ৬০/৭০ জন যুবক মানববন্ধনে অংশ নেয়। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শফিউর রহমান জোয়ার্দ্দারের সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হলে তিনি জানান, সরকারের আইন মেনে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের আইন অনুযায়ী উপজেলায় যে কমিটি আছে সেই কমিটির মাধ্যমে ঘর ভাড়া দেওয়ার ব্যাপারে মাইকিং করা হয়। কিন্তু আমরা সমস্ত ঘরের ভাড়াটিয়া না পাওয়ায় একযোগে সম্পূর্ণ ঘর ভাড়া নেওয়ার কারণে পপুলার মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ)’র কাছে ভাড়া দিই। কত টাকা ভাড়া জিজ্ঞাসা করলে কমান্ডার জানান, মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাড়া এবং অগ্রীম ৪ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে, যা বিধি সম্মত। এই টাকা কোন খাতে খরচ হবে জিজ্ঞাসা করলে কমান্ডার বলেন মন্ত্রণালয়ের বিধান অনুসারে এই টাকা খরচ করা হবে। এছাড়াও কমান্ডার বলেন, কতিপয় স্বাধীনতা বিরোধীচক্র মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাবলম্বী হতে দেখে হিংসা ও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা ৭১ সালে যেভাবে জবাব দিয়েছি, প্রয়োজনে এখনও আমরা সেইভাবেই জবাব দেব। পরবর্তীতে এই কমিটির সচিব উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজাদ জাহানের সাথে কথা হলে উনি বলেন, ভাড়া দেওয়ার ব্যাপারে সরকারি আইন মেনেই ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এখানে কোন প্রকার দূর্ণীতি বা অনিয়মের প্রশ্নই আসে না। আমরা রীতি মতো ১ মাস ব্যাপি প্রচার প্রচারণা চালানোর পর পত্র পত্রিকার বিজ্ঞাপন দিয়ে কোন ভাড়াটিয়া একযোগে না পাওয়ায় পরবর্তীকালে এদের কাছে একযোগে সমস্ত ঘর ভাড়া দেওয়া হয়, যা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি আছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী