মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আগামী ২০১৭ সালের জানুয়ারীতে দর্শনা কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নির্বাচন এ নির্বাচনে তেমন কোনো স্বপ্ন নেই! সাশ্রয়নীতির নামে চলছে শ্রমিক ছাটাই!

  • আপলোড তারিখঃ ০৮-১১-২০১৬ ইং
আগামী ২০১৭ সালের জানুয়ারীতে দর্শনা কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নির্বাচন এ নির্বাচনে তেমন কোনো স্বপ্ন নেই! সাশ্রয়নীতির নামে চলছে শ্রমিক ছাটাই!

দর্শনা অফিস: দর্শনা কেরু চিনিকলের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে চরম হতাশা লক্ষ করা গেছে। গতকাল বিভিন্ন বিভাগের শ্রমিকদের সাথে কথা বললে তারা তাদের কষ্টের কথা জানান। শ্রমিকেরা বলেন বিগত বছরগুলোতে কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচন আসার ২/১ মাস আগে থেকে শ্রমিক নিয়োগ, শ্রমিকদের প্রমোশন, এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে বদলী এবং নতুন স্বপ্নে বিভর হয়ে ভোট নিয়ে নাচানাচি করেছে শ্রমিকেরা। এবারের নির্বাচনে তেমন কোন স্বপ্ন নেই, আছে শুধু হারানোর ভয়, চাকুরীটা কখন চলে যায়। সাশ্রয়নীতির নামে চলছে শ্রমিক ছাঁটাই। এ ব্যাপারে কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি তুখোড় নেতা তৈয়ব আলী আলী সময়ের সমীকরণকে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার বা দাবী নিয়ে আন্দোলন করলে চাকুরী থাকবে না বলে করপোরেশন থেকে হুশিয়ারী দেওয়া হয়েছে। ফলে আমরা অনেক সময় নিরাশ হয়ে পড়ছি। নানাভাবে আমাদের শ্রমিকদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। এছাড়া ভোটের সময় আনন্দ বাজার ও কেরুজ ক্যান্টিন এবং কেরুজ মিলের ক্যান্টিনে শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলতো দিনরাত। সেসব দিন যেন দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শ্রমিক বলেন, গত ৩২ বছর ডিষ্ট্রিলারীতে চাকুরী করছি। আমার বেসিক বেতন ৭হাজার ২০টাকা। আগে রেশন পেতাম। ছিল ওভার টাইম, ইনসেপ্টি, পোষাক ও কেরুজ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা। এখন সবকিছু হারিয়েছি। চাকুরীটাই শুধু এখন হারাতে বাকী আছে। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমাদের ভেবে কি লাভ! প্রতিবার ভোট দিচ্ছি, আর একটা না একটা কিছু হারাচ্ছি। এভাবে কৃষি বিভাগ ৩৮বছর, ইক্ষু বিভাগ ২৮বছর, ট্রাক্টর চালক ৩৪বছর, ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে ৩৯বছর চাকুরীরতসহ বিভিন্ন বিভাগের বেশ কয়েকজন শ্রমিক বলেন, মৃত নুরু খান, মোজাম্মেল হক, বাদশা মিয়া, হাশেম আলী, সেকেন্দার আলীর সময় আমরা কেরুজ শ্রমিকেরা রেশন, কেরু হাসপাতলে চিকিৎসা, এ্যাম্বুলেন্স সুবিধা, ছাতা, টর্চ লাইট, গামবুট, পোশাক, ওভারটাইম, ইনক্রিমেন্ট, ইনসেনটিভসহ নানা সুবিধা পেয়েছি। এই প্রাপ্ত সুবিধাগুলো গত মজিবর রহমান ও বকুলের আমল থেকে সবকিছু ধীরে ধীরে হারাতে বসেছি। এখন চাকুরীও অনিশ্চয়তার দিকে ক্রমশঃ এগিয়ে যাচ্ছে। ভোট দিয়ে নেতা বানিয়ে আমাদের কোন উপকার হচ্ছে না কিন্তু নেতাদের লাভ আছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী