আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী গ্রামের খন্দকার পাড়ার প্রবীণ ও বর্ষীয়ান পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ জামিলা খাতুন (৮০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গত সোমবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটে রাজধানী ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে ও তিন মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সরকারি আজিজুল হক কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার কামাল হাসান, আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খন্দকার ইকবাল হাসান এবং পিয়াল হাসানের মা।
তাঁর মৃত্যুতে আলমডাঙ্গার শিক্ষা অঙ্গনসহ আত্মীয়স্বজন, শুভাকাক্সক্ষী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে আলমডাঙ্গার কুমারী খন্দকার পাড়া গোরস্থানে মরহুমার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মফিজুর রহমান, হারদী এমএস জোহা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নিয়ামত আলী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কুমারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক, প্রভাষক, শিক্ষক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজার নামাজে ইমামতি করেন কুমারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা মো. আব্দুল কাদের। জানাজা শেষে কুমারী খন্দকার পাড়া গোরস্থানে মরহুমার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
জামিলা খাতুনের মৃত্যুতে স্বজন, শুভাকাক্সক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
আলমডাঙ্গা অফিস