মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গার ১১৬ পূজামণ্ডপে দেবী দর্শনে ভিড়, নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন

ঢাকের বাদ্য আর আলোকসজ্জায় উৎসবের আমেজ
  • আপলোড তারিখঃ ২০-১০-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গার ১১৬ পূজামণ্ডপে দেবী দর্শনে ভিড়, নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন

ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনি। বর্ণিল আলোকসজ্জায় ঝলমল মণ্ডপ, নান্দনিক সাজে দেবী দুর্গা। কোথাও চলছে পূজার অঞ্জলি, কোথাও ধূপ-ধুনো আর প্রদীপের আলোয় আরতি। মণ্ডপের বাইরে বসেছে মেলা। নতুন পোশাকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে প্রতিমা দর্শন, ছবি তোলা আর মেলা ঘুরে দেখায় মেতেছেন নানা বয়সী মানুষ। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান আর উৎসবের আনন্দে মহাষষ্ঠীর মধ্যদিয়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে চুয়াডাঙ্গার পূজামণ্ডপগুলো।


এ বছর জেলার চার উপজেলায় ১১৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যদিয়ে মণ্ডপে মণ্ডপে ছড়িয়ে পড়ে পূজার আবহ। বাড়তে থাকে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আনাগোনা। সন্ধ্যা নামতেই আলোয় ঝলমল করে ওঠে মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকা। কোথাও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, কোথাও আধুনিক আলোকায়ন ও শৈল্পিক নির্মাণ দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। প্রতিমার নান্দনিক রূপ আর আলোর কারুকাজ দেখতে ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।


উৎসবের অন্যতম প্রাণবন্ত দৃশ্য শিশুদের উচ্ছ্বাস। মা-বাবার হাত ধরে মণ্ডপে আসা শিশুরা মুগ্ধ হয়ে দেখছে প্রতিমা ও আলোকসজ্জা। কিশোর-কিশোরী ও তরুণেরা বন্ধুদের সঙ্গে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে প্রতিমা দেখছে, তুলছে স্মৃতির ছবি। অন্যদিকে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাতে আসা মানুষের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ হয়ে উঠছে এক মিলনমেলা। ব্যস্ততার বাইরে স্বজনদের সঙ্গে উৎসব ভাগাভাগি করছেন অনেকে।


দুর্গোৎসবের ধর্মীয় আবহের অন্যতম অনুষঙ্গ ঢাকের বাদ্য ও সন্ধ্যার আরতি। ঢাকের তালে তালে শঙ্খধ্বনি, কাঁসর-ঘণ্টা ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠছে মণ্ডপ। প্রদীপ, ধূপ-ধুনো আর আরতির আলোয় দেবীর আরাধনায় অংশ নিচ্ছেন ভক্তরা। মণ্ডপভেদে ধর্মীয় আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীতসহ নানা আয়োজন উৎসবকে আরও বর্ণিল করে তুলেছে।


মণ্ডপের বাইরের মেলাও যোগ করেছে বাড়তি আকর্ষণ। বিভিন্ন স্থানে বসেছে খাবার, মিষ্টি, মাটির আসবাবপত্র,  খেলনা, শিশুদের সামগ্রীসহ নানা পণ্যের দোকান। প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি মেলায় ঘুরছেন দর্শনার্থীরা। হিন্দু ধর্মীয় বিশ^াসে দেবী দুর্গা শক্তি, সাহস ও কল্যাণের প্রতীক। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় দেবীর আরাধনা করেন ভক্তরা। মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী শেষে, মহাষ্টমী ও মহানবমীতে পূজা, অঞ্জলি, আরতি ও প্রসাদ বিতরণসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা চলবে। এরপর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।



কমেন্ট বক্স
notebook

জীবননগরে দুই পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান দিলেন বিএনপি নেতা শাহজাহান মিয়া