দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের নতুন গ্রামে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আসক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ন্যায্য বাজার নিশ্চিতকরণ, আইনী সহায়তা প্রদান, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মাদক নির্মূল এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল ৪টায় এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আসক ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি লাল্টু মল্লিক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজকর্মী অফিসার রাজিবুল ইসলাম খলিফা। প্রধান বক্তা ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আসক ফাউন্ডেশনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান মাস্টার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মামুন উর রশিদ, নারী নির্যাতন বিষয়ক সম্পাদক জাফর ইকবাল, কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদ, দর্শনা থানা শাখার সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ মিলন, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আশরাফুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজিবুল ইসলাম খলিফা বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সচেতন হতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং আইনী সহায়তা সহজলভ্য করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। পাশাপাশি মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে পরিবার, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্রধান বক্তা মো. আব্দুল মান্নান মাস্টার বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আসক ফাউন্ডেশন মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজ থেকে মাদক, নারী নির্যাতন, অন্যায় ও বৈষম্য দূর করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আইনী সহায়তা মানুষের সাংবিধানিক অধিকার এবং সেই অধিকার বাস্তবায়নে আসক ফাউন্ডেশন সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে।
সভাপতির বক্তব্যে লাল্টু মল্লিক বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা কেবল একটি সংগঠনের দায়িত্ব নয়, এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। আসক ফাউন্ডেশন মানবসেবা, আইনী সহায়তা, নারী ও শিশু অধিকার সংরক্ষণ এবং মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করবে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
সমীকরণ প্রতিবেদন