আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের গড়চাপড়া গ্রামে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি ছিনতাই মামলাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলার আসামিদের পরিবারের সদস্যরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গায় স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আরিফুল ইসলামের মা কফিরুন নেছা, সুজনের স্ত্রী সালমা খাতুন ও রানার স্ত্রী মালা খাতুন।
সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা দাবি করেন, গত বুধবার সকালে তাঁদের স্বজনেরা কৃষিকাজে যাওয়ার পথে গড়চাপড়া গ্রামের ভাদাইল দাড়ি মাঠ এলাকায় জাহাপুর গ্রামের স্বপন ও জোড়গাছা গ্রামের আনারুলকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বপনকে আটক করে তাঁর কাছে থাকা একটি ব্যাগ থেকে প্রায় ২০০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় আনারুল মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, স্বপনকে পাহারায় রেখে গ্রামের লোকজনকে ডাকতে গেলে আনারুল সহযোগীদের নিয়ে ফিরে এসে রানা নামে একজনকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর মাধ্যমে আরিফুল, সুজন ও লিখনের বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করা হয়। একই সঙ্গে রানাকে ওই মামলার সাক্ষী করা হয়েছে বলেও তাঁদের দাবি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা মামলাটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনার উদ্ঘাটনের আহ্বান জানান।
আলমডাঙ্গা অফিস