শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা

  • আপলোড তারিখঃ ২২-০৪-২০২৪ ইং
চুয়াডাঙ্গায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা

অতি তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা।

সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কবীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হামিদ রেজা, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গির আলম, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. আওলিয়ার রহমান। এছাড়াও সংশিষ্ট্য বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য দেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপক কুমার পাল, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক বিপুল আশরাফ, শাহ আলম সনি, মেহেরাব্বিন সানভী প্রমুখ। সভার শুরুতেই চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলে ধরেন চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান।

জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, মানুষকে সচেতন করতে হবে ঝুঁকিমুক্ত থাকার জন্য। যে পরিমাণে সাহায্য সহযোগিতা করা সম্ভব, সেগুলো করা হবে। আমরা সরকারের কাছে বিষয়টি লিখবো। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। মাঝে মধ্যেই শুনতে পাই, সরকারি সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব না দিয়ে শিশুদেরকে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলে কোচিং সেন্টারগুলো খোলা আছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এগুলো দেখা হবে। কোনো কোচিং সেন্টার বা কিন্ডারগার্টেন সরকারি সিদ্ধান্ত অমান্য করে খোলা রাখতে পারবে না।

সভায় বক্তারা চুয়াডাঙ্গার গরম সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে গুরুত্ব দেন। এসময় জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, গত বছর থেকে জেলায় এক লাখ বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যার একটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সেটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রয়োজন আরও বেশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা। আমি আপনি সকলে যার যার অবস্থান থেকে বৃক্ষ রোপণ করতে হবে। আগামী প্রজন্মকে যদি আমরা এই উত্তাপের হাত থেকে বাঁচাতে চাই, তাহলে গাছ লাগাতে হবে। সচেতন হতে হবে। এই সমস্যার সমাধান আপনার আমার সকলের হাতে।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আরএম ফয়জুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এক দিনের বিষয় নয়, এটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়। আপনারা জানেন জয়পুর রাজস্থানের একটি মরুভূমিতে বৃক্ষ রোপণ করার ফলে সেখানে ১০ বছরে অভাবনীয় পরিবর্তন হয়েছে। আমরাও চুয়াডাঙ্গা বৃক্ষ রোপণের দিকে গুরুত্ব দিতে পারি। বিশেষ করে নিমগাছ, যা বাতাসকে ঠান্ডা করে। আমরা সরকারিভাবে নদীর ধারে এবং সরকারি স্থাপনার আশেপাশে এবং খাস জমিতে বৃক্ষ রোপণ করতে পারি। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষগুলোর পরিচর্যা করাও অসম্ভব হবে না। শুধু নিমগাছ নয়, সরকারিভাবে অশথবৃক্ষ, বটবৃক্ষও রোপণ করা যেতে পারে। যদি আগামী বর্ষাকাল থেকেই বৃক্ষরোপণ শুরু করা যায়, ১০ বছর পর সেই বৃক্ষগুলোর কারণে এ অঞ্চলের জলবায়ুতে পরিবর্তন লক্ষ করা যাবে। যা আমাদের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে থেকে রক্ষা করবে।



কমেন্ট বক্স
notebook

আলমডাঙ্গায় ‘নিমগ্ন পাঠাগারে’ সেমিনার অনুষ্ঠিত