শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

করোনায় মৃত্যু ১১ হাজার ছাড়িয়েছে, শীর্ষে ইতালি

  • আপলোড তারিখঃ ২১-০৩-২০২০ ইং
করোনায় মৃত্যু ১১ হাজার ছাড়িয়েছে, শীর্ষে ইতালি
সমীকরণ প্রতিবেদন: নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) দুনিয়াজুড়ে মৃতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়েছে। গতরাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ১৮৬ জন। চীন থেকে কমপক্ষে ১৮১টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যায় চীনকে অতিক্রম করেছে ইতালি। দেশটিতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৫০৪ জন। অন্য দিকে চীনে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ২৪৮ জন। চীনের পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এলেও ইতালির অবস্থা এখন খুবই খারাপ। বৃহস্পতিবার ইতালিতে মারা গেছে ৪২৭ জন। আর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে পাঁচ হাজার ৩২২ জন। অন্য দিকে একই সময়ে চীনে মারা গেছে আটজন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে মাত্র ৩৪ জন। সারা বিশ্বে এই ভাইরাসে দুই লাখ ৫৫ হাজার ৮১১ জন আক্রান্ত হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮৯ হাজার ৯১৮ জন। খবর বিবিসি, আলজাজিরা, রয়টার্স ও ওয়ার্ল্ড ওমিটারসের। মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে প্রবেশ ও নামাজ বন্ধ : করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সৌদি আরবের প্রধান দুই মসজিদ মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে প্রবেশ ও নামাজ বাতিল করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে এক বিবৃতিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ওই বিবৃতিতে জানিয়েছে, সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে শুক্রবার থেকে মক্কা ও মদিনার দুই প্রধান মসজিদে লোকজনের অবস্থান ও নামাজ আদায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ২৭৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে কভিড-১৯ এর আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ হাজার ৪৩৩ জন ও আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৬৪৪ জন। সে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ব্যাপকভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মক্কা-মদিনার প্রধান দুই মসজিদে জারি করা নিষেধাজ্ঞার ফলে শুক্রবার কেউ এই দুই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে পারবেন না। আগেই এই দুই মসজিদ বাদে দেশটির সব মসজিদে নামাজ আদায় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছিল সৌদি সরকার। তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় এই দু’টি মসজিদও সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সঙ্কট বাড়ছে ইউরোপে : বিশ্বের অন্তত ১৬৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। অবশ্য করোনাভাইরাসের উৎসস্থল চীনে এর প্রকোপ প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তবে চীনের বাইরে অন্য দেশে ব্যাপক আকারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এতে বিশ্বব্যাপী প্রচণ্ড আতঙ্ক ও ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে। চীনে করোনার ভয়াবহতা শেষ হলেও বাড়ছে ইউরোপের দেশ ইতালি ও স্পেনে। নাজুক অবস্থানে আছে ইরানও। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৪৩৩ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৪৪ জন। স্পেনে আক্রান্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৯৮০ জন। সেখানে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে পৌঁছেছে ১০২ জনে। এ দিকে ভাইরাস মোকাবেলায় চিকিৎসাসরঞ্জাম নিয়ে ইউরোপ সঙ্কটের মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির ইউরোপের আঞ্চলিক পরিচালক জানান, ডব্লিউএইচও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি পরিস্থিতিতে অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, এইচআইভি, যক্ষ্মার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। কিন্তু তারপরও খুব দ্রুতই ওষুধ সরবরাহ সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে ইউরোপ। সতর্ক করলেন গুতেরেস জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস মহামারীর আকারে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসের ব্যাপারে সতর্ক করে বলেছেন, এ ভাইরাস বিশ্বকে অর্থনৈতিক মন্দার দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছে। করোনা মোকাবেলায় দেশে দেশে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে তা এই জটিল বৈশ্বিক সঙ্কট মোকাবেলায় যথেষ্ট নয় বলেও বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব সাংবাদিকদের বলেন, এটা এমন এক সময়, যখন বড় অর্থনীতির দেশগুলোকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করে সমন্বিতভাবে উদ্ভাবনী কর্মপন্থা ঠিক করে কাজে নামতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আজ এমন এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, যখন সাধারণ কৌশল কোনো কাজে আসবে না। আমাদের সামনে অপেক্ষা করছে এক বিশ্ব মন্দা, যার মাত্রা হয়তো অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। গুতেরেস বলেন, পুরো বিশ্ব এখন একটি শত্রুর মুখোমুখি, আমরা লড়ছি এক ভাইরাসের বিরুদ্ধে। বিশ্বনেতাদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা একজোট হয়ে জরুরি ভিত্তিতে এই বিশ্ব সঙ্কট মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করুন। একই সাথে যেসব দেশ এখনো যথেষ্ট প্রস্তুতি নিতে পারেনি, তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী সমন্বিত পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ভাইরাসটির বিস্তার ঠেকানো না গেলে তা দুনিয়াজুড়ে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আইন: করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে একটি নতুন আইন পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ‘ফ্যামিলিস ফার্স্ট করোনাভাইরাস রেসপন্স অ্যাক্ট’ নামের ওই নতুন আইনের আওতায় বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষা করাতে পারবে মার্কিনিরা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই জোরালো করতে মার্কিন সিনেট ৯০-৮ ভোটে ‘ফ্যামিলিস ফার্স্ট করোনাভাইরাস রেসপন্স অ্যাক্ট’ পাস করে। কয়েক ঘণ্টা পরই সেই বিলে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে আইনে পরিণত হয়েছে বিলটি। নতুন এ আইনের ফলে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার সুবিধার পাশাপাশি আক্রান্ত ও তাদের পরিচর্যায় থাকা ব্যক্তিরা সবেতন ছুটি পাবেন। করোনা রুখতে এর আগে ৮৩০ কোটি ডলারের ত্রাণতহবিল মঞ্জুর করেছিল মার্কিন কংগ্রেস। ক্যালিফোর্নিয়া লকডাউন: করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দাদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রায় ৪ কোটি মানুষের এই অঙ্গরাজ্যের গভর্নর গেভিন নিউসম এক বিবৃতিতে বলেছেন, বৈশ্বিক এই মহামারীর সময় জনগণের শুধু অতীব জরুরি প্রয়োজনেই ঘর থেকে বের হওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১৪ হাজার ৩৬৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২১৭। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭৭ জন। আগামী দু’মাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর নিউসম বলেছেন, এটা এমন একটা মুহূর্ত যখন আমাদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। এক নির্দেশনায় তিনি বলেছেন, মুদিদোকান, ওষুধ বা ব্যায়ামের জন্য বাসার বাইরে বের হওয়া যাবে। এ ছাড়া বাড়িতেই অবস্থান করতে বলেছেন তিনি। একই সাথে জনসংযোগ কমিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। ওই অঙ্গরাজ্যের প্রায় অর্ধেক বাসিন্দা ইতোমধ্যেই এই কড়াকড়ির মধ্যেই অবস্থান করছেন। এর মধ্যে সানফ্রান্সিসকো শহরও রয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিঠি লিখে জরুরি ভিত্তিতে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্পেনে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১০০২: স্পেনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭১ জনের এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯০৩ জন। ১৪ মার্চের রাত থেকেই স্পেনজুড়ে সর্বাত্মক লকডাউন জারি করা হয়েছে। সড়কগুলোতে শুধু একা বের হওয়া যাচ্ছে জরুরি কাজের জন্য। বিশেষ করে খাবার কেনা ও ফার্মেসিতে যাওয়ার জন্য। ইতালিতে ১৩ চিকিৎসকের মৃত্যু: করোনাভাইরাসে মৃত্যুর ঘটনায় এখন সবার ওপরে ইতালি। ইউরোপের এ দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৪০৫ জনে। করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা দিয়ে গিয়ে ইতালিতে নতুন করে আরো পাঁচ চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে ইতালিতে চিকিৎসকের মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। ইতালির গিম্বে হেলথ ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৮.৩ শতাংশ। হাতে গ্লাভস না পরাসহ বেশ অসচেতনমূলক কাজের কারণে ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ইতালির এ দুঃসময়ে লকডাউনের সময়সীমা বাড়িয়ে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত করেছে সরকার। আফ্রিকাকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ: করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ভ্রমণনিষেধাজ্ঞা থেকে শুরু করে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা পর্যন্ত সব পদক্ষেপই নিয়েছে আফ্রিকা। তারপরও সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইথিওপিয়া অঞ্চলের পরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম গেব্রিসাস বলেন, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে এবং এখনই এই হুমকি মোকাবেলায় আফ্রিকার দেশগুলোকে জেগে উঠতে হবে। তিনি বলেন, আফ্রিকার জন্য এখন সবচেয়ে ভালো পরামর্শ হলো সবচেয়ে খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকা এবং তা আজ থেকেই। ১৯ মার্চ পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী আফ্রিকার ৩৩টি দেশে ৬০০ এরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৪০ জনেরও বেশি। এই অঞ্চলের সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়া ১৩টি আক্রান্ত দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। স্কুল বন্ধ, জনসমাগম নিষিদ্ধ: ভ্রমণনিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি সেনেগাল, রুয়ান্ডা, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, জাম্বিয়া, তানজানিয়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বতসোয়ানা, ঘানা ও ইথিওপিয়াতে সব ধরনের খেলাধুলা স্থগিত করা হয়েছে। ডিআর কঙ্গো, রুয়ান্ডা ও ঘানায় ধর্মীয় জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সতর্কতাপূর্ণ আশাবাদ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিগত জরুরি অবস্থা থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা এখন কাজে লাগানো সম্ভব। বিশেষ করে ২০১৪-১৬ সাল পর্যন্ত চলা ইবোলা মহামারীর সময়ের অভিজ্ঞতা। এ সময়ে পশ্চিম আফ্রিকার ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এবার তাদের সামনে করোনা ভাইরাস চ্যালেঞ্জ। কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানায়, ‘ইবোলা হয়তো কোভিড-১৯ থেকে আলাদা। তবে আমরা প্রতিরোধের আবশ্যকতা শিখেছি। আমরা জানি কিভাবে মিথ্যা তথ্য রুখতে হয়। উগান্ডার চিকিৎসক সাবরিনা কিটাকাও একমত প্রকাশ করে বলেন, ‘উগান্ডা ইবোলা ও মারবার্গ মোকাবেলা করেছে। আমাদের সিস্টেমের ওপর আমার আস্থা আছে।’


কমেন্ট বক্স
notebook

নিখোঁজের একদিন পর উদ্ধার হওয়া শিবির নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা