রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

৩ শ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-১০-২০১৯ ইং
৩ শ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
ডাকবাংলা কলেজের আইসিটি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবহারিক পরীক্ষা বাবদ প্রতিবেদক, ডাকবাংলা: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা আব্দুর রউফ ডিগ্রি কলেজে আইসিটি ব্যবহারিক পরীক্ষা বাবদ ৩ শ টাকা করে ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইসিটি বিভাগের শিক্ষক মো. মোদাচ্ছেরের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা এ অভিযোগ তুলেছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, আব্দুর রউফ ডিগ্রি কলেজে এ বছরে প্রায় ৫ শ জনের মতো ছাত্র-ছাত্রী এইসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। আইসিটি বিভাগের শিক্ষক মোদাচ্ছের ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীপ্রতি ৩ শ টাকা করে নিচ্ছেন। এমনকি টাকা না দিলে ব্যবহারিক নম্বর দেবেন না বলে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন তিনি। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জে এম রবিউল ইসলামকে জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এতে করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানায়, ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর দেওয়ার জন্য আইসিটি বিভাগের শিক্ষক মোদাচ্ছের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ শ করে টাকা নিয়েছেন। গত প্রি-টেস্ট পরীক্ষার পূর্বেই সব শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার ফি পরিশোধ করলেও মোদাচ্ছের ব্যবহারিক পরীক্ষার কথা বলে একটি প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নিয়েছেন এবং এ পরীক্ষা বাবদ তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবারও ২০ টাকা করে তুলেছেন। পরীক্ষা শেষে প্রশ্নটিও ফেরত নিয়ে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষসহ সবাই বিষয়টি জানেন, কিন্তু তাঁরা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। শিক্ষক মোদাচ্ছের হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যবহারিক পরীক্ষা বাবদ কোনো টাকা তিনি নেননি। তাঁর কাছে যারা প্রাইভেট পড়ে, তাদের কাছ থেকে তিনি টাকা নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক নম্বরের জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা গ্রহণের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ জে এম রবিউল ইসলাম জানান, আইসিটি ব্যবহারিক পরীক্ষা বাবদ টাকা নেওয়ার কোনো নীতিমালা নেই। এ বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা যদি অভিযোগ করে, তাহলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক এফ রব্বানী বলেন, এ ধরনের টাকা নেওয়ার এখতিয়ার কোনো শিক্ষকের নেই। এ বিষয়ে কলেজ পরিচালনা পরিষদ ও কলেজের অধ্যক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। আর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে এমন টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


কমেন্ট বক্স
notebook

নিখোঁজের একদিন পর উদ্ধার হওয়া শিবির নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা