সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

১৬ জন ডাক্তারের স্থলে আছে ৪ জন!

  • আপলোড তারিখঃ ২৫-০৯-২০১৯ ইং
১৬ জন ডাক্তারের স্থলে আছে ৪ জন!
দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুরু হয়েছে আধুনিকায়নের কার্যক্রম রোকনুজ্জামান রোকন: প্রায় সাড়ে তিন লাখ জনসংখ্যা-অধ্যুষিত জনপদ দামুড়হুদার একমাত্র স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যা ১৯৭৩ সালে ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ২০১৫ সালে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগরের প্রচেষ্টায় হাসপাতালটি আধুনিকায়নসহ ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত হয়। সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠে একটি চতুর্থ তলা ভবন। হাসপাতালটি জন্মলগ্ন থেকে নানা সমস্যায় জর্জরিত থাকলেও বর্তমানে শুরু হয়েছে আধুনিকায়নের কার্যক্রম। দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবুর প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে আসছে নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি। ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে অ্যাম্বুলেন্স। অতিদ্রুত আসছে এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনসহ ডায়াগনস্টিক যন্ত্রপাতি। এ ছাড়াও চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে বাড়ানো হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হেনা মোহাম্মদ জামালের নিজ প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার ও ডাইনিং রুমসহ পুরো কমপ্লেক্সটি সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং উন্নত মানের ছাউনি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সাইকেলস্ট্যান্ড। কমপ্লেক্সটির সামনে তৈরি করা হয়েছে ফুলের বাগান, পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি যেন রঙিন সাজে সেজেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল বলেন, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুনিম লিংকনের প্রচেষ্টায় উপজেলা প্রশাসন চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে ২২ লাখ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনসহ বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং ২৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য নেবুলাইজার মেশিন ও রোগীদের বসার জন্য শেড তৈরি করা হবে। মালামাল এসে গেলে স্বল্পমূল্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো সম্ভব হবে, রোগীরাও হাসপাতালের প্রতি আস্থা ফিরে পাবে। ডাক্তার-সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৬ জন ডাক্তারের স্থলে ৬ জন ডাক্তার আছেন, তাঁদের মধ্যে দুজন প্রেষণে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। এখন মাত্র চারজন ডাক্তার দিয়ে চালানো হচ্ছে হাসপাতালটি। তিনি আরও জানান, দ্রুত অপারেশন থিয়েটার চালু করা হবে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু জানান, ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ২৫৬ জন জনসংখ্যার এ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে এত দিন অ্যাম্বুলেন্স, এক্স-রে মেশিনসহ কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি ছিল না। শুধু সরকারি ওষুধ দিয়েই চলত রোগীদের সেবা। তাই চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকে ২২ লক্ষ টাকার মালামাল ক্রয়ের জন্য প্রকল্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মালামাল এলে প্রাণ ফিরে পাবে হাসপাতালটি।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড