সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মসজিদ ফান্ডের টাকা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ উভয়পক্ষের আহত ৭

  • আপলোড তারিখঃ ২৭-০১-২০১৮ ইং
মসজিদ ফান্ডের টাকা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ উভয়পক্ষের আহত ৭
চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরপুরে বার্ষিক ইছালে ছওয়াব আয়োজন উপলক্ষে মিটিং : সিড়িঁতে রান্না ও নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী ঠাকুরপুর মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রতি বছরের বাংলা মাসের ১২ ফাল্গুন বার্ষিক ইছালে ছওয়াব ও হালকায়ে জিকিরের আয়োজন করা হয়। এবিষয়ে গতকাল বিকালে মিটিংয়ে বসেন মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ। ইছালে ছওয়াব ও হালকায়ে জিকির সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন বিষয় আলোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে মসজিদের দ্বিতীয় তলার সিড়িঁতে রান্না করা ও মসজিদ ফান্ডের টাকার সঠিক হিসাব নিয়ে কমিটির উপস্থিত সদস্যরা একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকে। পরে প্রকাশ্যে কমিটির দু’টি গ্রুপ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। একপর্যায়ে দু’গ্রুপের মধ্যে বাধে সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের এক নারীসহ ৭ জন গুরুতর জখম হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। `` আহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা ঠাকুরপুর গ্রামের লাভলুর মেয়ে স্কুলছাত্রী সুমি খাতুন (১৬) মৃত হাজারী বিশ্বাসের ছেলে কাবিল (৫৫), একই এলাকার মৃত আফছারের ছেলে স্বপন (৩০), ও তার স্ত্রী জনি খাতুন (২৭), আলতাবের স্ত্রী রেনু খাতুন (৩৫) অপরপক্ষের মৃত হারুন উদ্দীনের ছেলে টিটন (৩০), মৃত আইন আলীর ছেলে কলিম উদ্দীন (৫০)। মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আতিয়ার রহমান বলেন, ঠাকুরপুর জামে মসজিদের ফান্ডের টাকার আত্মসাদের প্রশ্ন উঠে। এতে মসজিদের কমিটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এনিয়ে মাঝে মধ্যেই দু’পক্ষের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। গত সপ্তাহে যশোর থেকে তাবলীগ জামাতের একটি দল ঠাকুরপুর মসজিতে আসে। দলটি মসজিদে থাকাকালিন দ্বিতীয়তলার সিড়িঁতে রান্না করে। এতে মসজিদের ইমাম সাহেব মোয়াজ্জিনকে তাবলীগ জামাতের সদস্যদের মসজিদের ভিতরে রান্না না করার জন্য জানাতে বলেন। এতে বিষয়টা মিমাংসা হয়ে যায়। গতকাল বিকালে গ্রামে বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের জন্য মিটিং ডাকে। মিটিংয়ে আগে রান্না করা বিষয়টা নিয়ে কথা উঠে এবং দুই পক্ষের একে অপরকে দোষারোপ করে। পরে মাহফিলের টাকা তোলা ও ফান্ডের টাকার হিসাব করা নিয়ে দুই পক্ষের বাকবিতন্ডা বাধে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে এক নারাসহ ৭ জন জখম হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আহত ওই নারী বলেন, আমার দেবর সোহরাবকে মারধর করতে দেখে আমি তাকে ঠেকাতে গেলে আমাদের এলাকার শরিফের স্ত্রী সেলিনা খাতুন, তার বোন এনি খাতুন, মৃত সানোয়ারের স্ত্রী ভেজা খাতুন, তার মেয়ে চিনি খাতুন, কলিমের স্ত্রী কনা খাতুন, জয়া ও দেবা মিলে আমার মেয়েকে প্রচন্ড মারধর করে। এবং আমার মেয়ের গলার চেইন ও হাতের আংটি ছিনিয়ে নেই। এবিষয়ে এলাকার অনেকে নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত মারামারি। এবিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোজাম্মেল হক বলেন, মসজিদের মাহফিল উপলক্ষে মিটিংয়ে বসে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে টাকা সংক্রান্ত বিষয়সহ গরু ও ছাগল উঠানো নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় কোন থানায় কোন অভিযোগ আসেনি। এবং কেউ মামলাও করেনি।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী