সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কালীগঞ্জে স্কুলের ছাদ ঠেকাতে বাঁশের ঠেকনো! ধ্বসে পড়ে ব্যাপক প্রাণহানীর আশঙ্কা!

  • আপলোড তারিখঃ ০৬-১০-২০১৬ ইং
কালীগঞ্জে স্কুলের ছাদ ঠেকাতে বাঁশের ঠেকনো! ধ্বসে পড়ে ব্যাপক প্রাণহানীর আশঙ্কা!
`Jhenidah-School-Photo-02` কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাপালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি চরম ঝুঁকি নিয়ে দাড়িয়ে আছে। যে কোন সময় ভবনের ছাদ ধ্বসে পড়ে ব্যাপক প্রানহানীর আশঙ্কা রয়েছে। আর ভবনের ছাঁদ ঠেকাতে দেওয়া হয়েছে বাঁশের ঠেকনো। সরেজমিন দেখা গেছে স্কুলের ভবনের বিমগুলোতে এতোটাই ফাঁটল ধরেছে যে, সেগুলো যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে। জীবনহানীর আশঙ্কার পরও অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের ঠেকনোর নিচে বসে ক্লাস করছে শিশুরা। শিক্ষকরা বলছেন, উপায় না পেয়ে তারা ঝুঁকির মধ্যে ক্লাস নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে তাদের চোখ থাকে উপরের দিকে। ক্লাস নেন আর ফাঁকে ফাঁকে উপরের দিকে চেয়ে দেখেন। শিক্ষকরা জানান, তিনটি শ্রেণীকক্ষ রয়েছে বিদ্যালয়টিতে। আর একটি কক্ষে দপ্তরিক কাজ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কমল কান্ত মজুমদার জানান, ১৯৭২ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বে-সরকারি রেজিষ্ট্রার প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে দীর্ঘদিন শিশুদের পাঠদান চলছিল। ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১৩৯ জন শিক্ষার্থী এই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে। তারা ৫ জন শিক্ষক নিয়মিত পাঠদান করে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়টি সমাপনি পরীক্ষায় ভালো ফল করছে। প্রতিবছরই শতভাগ পাশের পাশাপাশি ২/৩ জন করে ছেলে-মেয়ে বৃত্তির তালিকায় স্থান করে নিচ্ছে। এই অবস্থায় তাদের বর্তমানে বড় সমস্যা বিদ্যালয় ভবন। যা এতোটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে ছোট ছোট শিশুদের এই ভবনের নিচে বসিয়ে ক্লাস নিতে তারা ভয় পাচ্ছেন। প্রধান শিক্ষক কমল কান্ত মজুমদার আরও জানান, দীর্ঘদিন টিনের চালায় প্রতিষ্ঠানটি চলে আসলেও ১৯৯৪ সালে স্থানিয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর একটি ভবন নির্মান করে দেন। সেই ভবনেই তারা পাঠদান করে আসছিলেন। কিন্তু গত ৩ বছর হলো ভবনের বিমগুলোতে ফাঁটল ধরেছে। ছাদের প্লাষ্টারগুলো ধসে পড়ছে। গোটা ধাদ নষ্ট হয়ে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই ছাদ ভেদ করে পানি পড়ে। ভবনের দুইটি বিমে ফাঁটল ধরেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুন-অর রশীদ জানান, বেশ কয়েকবার তারা লিখিতভাবে বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করেছেন। ২ বছর হতে চললো এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলীরা এসে পরীক্ষা করে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ আখ্য দিয়েছেন। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুকিপুর্ন এই ভবনেই কাজ চালানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সালমা খাতুন জানান, কালীগঞ্জ উপজেলায় এ জাতীয় কয়েকটি বিদ্যালয় ভবন আছে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে তার মধ্যে চাপালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তারা ইতোমধ্যে ৫ টি প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন জরুরী বলে অধিদপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। আশা করছেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে।


কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী