সোমবার, ১৭ অগাস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরে ‘চেহারা বদল’ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের

পরিষ্কার হলো কক্ষ, টয়লেট, ড্রেন ও হাসপাতাল চত্বর

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-০৮-২০২৬ ইং
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরে ‘চেহারা বদল’ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) ঝিনাইদহে অবস্থান করছেন- এমন খবর গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ আশপাশের হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শুরু হয় ব্যাপক তৎপরতা। বিশেষ করে সদর হাসপাতালের চিত্র বদলে যেতে দেখা যায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। গতকাল রোববার সকাল থেকেই হাসপাতালজুড়ে শুরু হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। বিভিন্ন কক্ষ, টয়লেট, আসবাবপত্র ও ড্রেন পরিষ্কার করা হয়। হাসপাতাল চত্বর থেকেও সরিয়ে ফেলা হয় ময়লা-আবর্জনা। ফলে আগের তুলনায় হাসপাতালের পরিবেশ অনেকটাই পরিচ্ছন্ন হয়ে ওঠে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের কর্তব্যরত স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হাসপাতালের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি দুর্গন্ধও অনেকটা কমে আসে। চিকিৎসক ও স্টাফদের মধ্যেও বাড়তি সতর্কতা দেখা যায়। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতাল রোডের বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ওষুধের দোকানেও পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতিমূলক তৎপরতা দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকেও বিভিন্ন বিষয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সদর হাসপাতাল এলাকায় ছিল বাড়তি ব্যস্ততা। কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী জানান, তারা সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আসেননি। তবে তার আগমনের সম্ভাবনার খবরেই হাসপাতালের পরিবেশে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য, শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নয়, হাসপাতালের খাবারের মানেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। হাসপাতালের আশপাশে আগের মতো ময়লা-আবর্জনার স্তূপ কিংবা দুর্গন্ধ দেখা যায়নি। একই চিত্র ছিল আশপাশের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতেও। স্থানীয়দের কয়েকজন বলেন, বিশেষ কোনো অতিথির আগমনকে কেন্দ্র করে নয়, নিয়মিতভাবেই যদি হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও তদারকি নিশ্চিত করা হয়, তাহলে রোগী ও স্বজনদের জন্য পরিবেশ আরও স্বাস্থ্যকর হবে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। এতে কোনো সমস্যা আছে? সবাই তো কথা শোনে না। আজ সবাই কথা শুনেছে, যার কারণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেছে। আমরা চেষ্টা করি হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আগমনের খবরকে ঘিরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালের পরিবেশে এমন পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন-বিশেষ অতিথির আগমন উপলক্ষে নয়, প্রতিদিনই যদি হাসপাতাল এভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল রাখা হয়, তাহলে রোগীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।



কমেন্ট বক্স
notebook

আকস্মিক মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী