আলমডাঙ্গা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) হাবিবের দেওয়া একটি বক্তব্য নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পরে তিনি দাবি করেছেন, ‘দুজনের চাপে’ তিনি ওই বক্তব্য দিতে বাধ্য হয়েছেন এবং সেখানে দেওয়া কিছু তথ্য সত্য নয়।
এসও হাবিবের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বেরা ৩টার দিকে আলমডাঙ্গা এলজিইডি অফিসে থানাপাড়ার বাসিন্দা সাদ্দাম নামে এক ব্যক্তি তার কার্যালয়ে আসেন। তিনি দাবি করেন, ওই ব্যক্তি কখনো সাংবাদিক, কখনো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) লোক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
হাবিব বলেন, সাদ্দাম তাকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং আলমডাঙ্গার সাংবাদিক আল আমিন ও কালিদাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল হক মিকার ইশারায় নজরুল মেম্বারকে জড়িয়ে ২০ হাজার টাকা লেনদেনের কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি চাপের মুখে ওই বক্তব্য দিতে বাধ্য হন বলে দাবি করেন। এসও হাবিব আরও বলেন, “আমি বাধ্য হয়ে কথাগুলো বলেছি। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে আঘাত লেগে থাকলে আমি দুঃখিত।”
তবে সাদ্দামকে মিকা চেয়ারম্যান পাঠিয়েছিলেন এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান। চেয়ারম্যান আসাদুল হক মিকার কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ছিল কি না, সেটিও তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।
এদিকে কালিদাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল হক মিকার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি কিছু জানি না। সাদ্দাম ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিল। আমার ইউনিয়নের একটি মেয়ে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে, সে বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছিল।”
অন্যদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, সাদ্দাম বিভিন্ন সময় নিজেকে কখনো পুলিশ, কখনো সাংবাদিক আবার কখনো দুদকের লোক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের দাবি, অতিসত্বর সাদ্দামকে আইনের আওতায় আনা উচিত।
প্রতিবেদক, আলমডাঙ্গা