মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে দোয়া, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, তবারক ও খাবার বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা, দর্শনা, জীবননগর ও হাসাদাহ এলাকায় পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় নেতা-কর্মীরা শহিদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা এবং দেশপ্রেমের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
চুয়াডাঙ্গা:
মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে চুয়াডাঙ্গা দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেছে জেলা বিএনপি। গত শনিবার সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের এক অবিস্মরণীয় রূপকার। দেশের ক্রান্তিলগ্নে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস ও দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব আজও জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।’
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের অগ্রযাত্রার ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর নেওয়া পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি সবসময় জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন।
বিএনপি নেতা শরীফুজ্জামান আরও বলেন, আজ যখন দেশ নানা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তখন জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। তাঁর সততা, কর্মনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মীর দায়িত্ব হলো তাঁর আদর্শকে ধারণ করে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও বেগবান করা।
তিনি বলেন, শহিদ জিয়ার জীবন ছিল সংগ্রাম, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল লক্ষ্য। তাই তাঁর শাহাদাতবার্ষিকী শুধু শোকের দিন নয়, বরং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার দিন। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করি। বক্তব্যের শেষে তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে সকলকে তাঁর আদর্শ ও চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম নজু, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি রাফিতুল্লাহ মহলদার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু, জেলা মহিলা দলের সভাপতি রউফ উর নাহার রিনা, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান লিপটন, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রশীদ ঝণ্টু, জেলা জাসাস-এর সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি শরিফুল আলম বিলাস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ তালহা, জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাবলু, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান, সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা জজকোর্টের পিপি অ্যাড. মারুফ সারোয়ার বাবু, জেলা আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক অ্যাড. আ স ম আব্দুর রউফ, চুয়াডাঙ্গা জেলা মুক্তিযোদ্বা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবেছ উদ্দীন, সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর শেফালী বেগম, যুগ্ম সম্পাদক ও দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সালমা জাহান পারুল, সাংগাঠনিক সসম্পাদক নাসরিন পারভিন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মুকুট, আবু জাফর মণ্টু, সদর উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মতিউর রহমান মিশর, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব আজিজুল হক আজিজুল, জেলা ওলামা দলের সদস্যসচিব হাফেজ মাওলানা মাহাবুল, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুক্ত প্রমুখ।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আনোয়ার হোসেন। আলোচনা সভা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন জেলা ছাত্রদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবু সুফিয়ান।
এদিকে, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। গত শনিবার জোহরের নামাজের পূর্বে চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ মিলনায়তনে শহিদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জেলা ছাত্রদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মো. আবু সুফিয়ান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ ও সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটু। দোয়া শেষে চুয়াডাঙ্গা শহরের শহীদ হাসান চত্বরে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাহাজান খান, সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবীব মামুন, সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, আশিপুল হক, মাসুদ রানা মুক্ত, খন্দকার আরিফ, তৌফিকুল ইসলাম বাপ্পী, যুগ্ম সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, আবাবিল হোসেন সাদ্দাম, সাদ্দাম হোসেন, রোকন জোয়ার্দ্দার, জমির উদ্দিন, একরামুল হক, সহসাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী সান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিক আহমেদ ইরান, মো. রাশিদুল ইসলাম, শহীদ বিশ্বাস, আইনবিষয়ক সম্পাদক কাইজার আহমেদ জীবন, অর্থ সম্পাদক খন্দকার রিজন আহমেদ, যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক সৌরভ আরেফিন শাওন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক হিরক আহম্মেদ, সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক জুনায়েদ আহমেদ লিখন, সহযোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হুসাইন, সদস্য রাহাত উল হক, চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৌশিক আহমেদ রানা, সদস্যসচিব মাজেদুল আলম মেহেদী, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাহবুবুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. রকিবুল হাসান, সিনিয়র সহসভাপতি জাহিদ হোসেন, সাবেক আহ্বায়ক ফয়সাল ইকবালসহ আরও অনেকে।
আলমডাঙ্গা:
আলমডাঙ্গায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। গত শনিবার দিবসটি উপলক্ষে আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ জিয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, বিকেলে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দ্দার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু। প্রধান বক্তা ছিলেন আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক পিণ্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন। আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক হাসিবুল হক লিপু, পৌর বিএনপি নেতা মাগরিবুর রহমান, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান শুভ, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক হাসান রিংকুসহ আরও অনেকে। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘আজকের এই দিন আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই দিনে আমরা আমাদের নেতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হারিয়েছি। তিনি দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে তিনি পৃথিবীর মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে একত্রিত করার জন্য কাজ করছিলেন। তখন বিদেশি চক্রান্ত ও একদল বিপথগামী সেনাসদস্য চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নেতা। তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ আরও স্বনির্ভর ও মডেল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠত।’
হাটবোয়ালিয়া:
আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়নে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গত শনিবার সকাল ৭টায় ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা ও কালো শোক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এসময় দলীয় নেতাকর্মীরা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বিকেল ৫টায় ভাংবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। একই দিনে মাগরিবের নামাজের পর হাটবোয়ালিয়া-নগরবোয়ালিয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও তবারক বিতরণ করা হয়। এছাড়া এশার নামাজের পর হাটবোয়ালিয়া-হাঁটুভাঙ্গা-আমতৈলপাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিল, দোয়া-মোনাজাত ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারণ সম্পাদক আতাউল হুদা, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস কুদ্দুস মিরা, সহসভাপতি মজিরুল ইসলাম বিজু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মাবুদ, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সানোয়ার হোসেন লাড্ডু, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম ঝন্টু, ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি জাকির হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের সদস্য সেলিম রেজা, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাসেল হুদা, যুবদল নেতা মজিবুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম বদর, সাধন বিশ্বাস, আবুজার, মহিদুল ইসলাম, আবুল কালাম, ইসরাফুল ইসলাম, ডালিম, লিটন, বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, কৃষক দলের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমান কালু, আয়ুব আলী, জহুরুল ইসলাম জুরাল, আব্দুর রশিদ, আব্দুল আলিমসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ভাংবাড়ীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রুহুল আমিন।
দামুড়হুদা:
দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দোয়া মাহফিল শেষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এসময় দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, শহিদ জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ তিনি চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। ১৯৭৮ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তিনি সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন। মৃত্যুর পর তাঁকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে দাফন করা হয়। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ, সহসভাপতি সোলেমান মল্লিক, সদস্য ওহিদুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর আবুল হাশেম, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সালমা জাহান পারুল, দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি শফি মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনসার আলী, হাউলি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার, জুরানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, নতিপোতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, নাটুদা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম খান, কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আফজালুর রহমান সবুজ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকির হোসেনসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন দামুড়হুদা মডেল মসজিদের ইমাম মুফতি মামুনুর রশিদ।
দর্শনা:
বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দর্শনায় আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় দর্শনা মুক্তমঞ্চে দর্শনা পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে শহিদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান এবং দেশের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক সভাপতি হাজী খন্দকার শওকত আলীর সভাপতিত্বে এবং পৌর বিএনপির সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেটের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাবু তরফদার। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহিদ জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুল ইসলাম মোল্লা, পৌর বিএনপির সমন্বয়ক কমিটির সদস্য মাহাবুবুল ইসলাম খোকন, মহিদুল ইসলাম, এনামুল হক শাহ মুকুল, মো. মশিউর রহমান, মো. শরিফ উদ্দিন, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মমিনুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, শফিকুল ইসলাম তোতা, রেজাউল ইসলাম, নাসির উদ্দিন খেদুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দর্শনা পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল, জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মিঠু, থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন রিঙ্কু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহান আলী ও অপু সুলতান, পৌর যুবদলের সদস্য রফিকুল ইসলাম ব্রাইট, কৃষক দল নেতা হাতেম আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান মাস্টার, যুগ্ম আহ্বায়ক সজীব, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেন, সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পলাশ প্রমুখ।
অপর দিকে, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দর্শনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও এতিমদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার দিনব্যাপী দর্শনা পৌর বিএনপির সমন্বয়ক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহারুল ইসলাম মাস্টারের নেতৃত্বে আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এতিমখানায় চাল ও ডাল বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে দর্শনা থানা, দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তারা আরও বলেন, ফলজ চারা বিতরণ কর্মসূচি শুধু একদিনের নয়, বরং সপ্তাহব্যাপী চলমান থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মাঝে চারা বিতরণ করা হবে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আজিজুল মন্ডল, সোলাইমান বাদশা, নাসিরুদ্দিন হাসু, রাশেদ আহমেদ সজীব, রাশেদুল ইসলাম, জাকির হোসেনসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং বিভিন্ন ইউনিটের উল্লেখযোগ্য নেতাকর্মীরা।
জীবননগর:
সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জীবননগরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে জীবননগর বিএনপির অফিসে জীবননগর পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে শহিদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান এবং দেশের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর। এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দীন শফি, সিনিয়র সহসভাপতি তাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির ইকবাল ঠান্ডু, শাহজাহান মিয়া প্রমুখ।
হাসাদাহ:
বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে হাসাদাহ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাসাদাহ ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাসাদাহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য কুতুবউদ্দিন মাস্টার ও হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব শামীম শেখ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন হাসাদাহ ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজন আহম্মদ, কৃষক দলের সহসভাপতি কামাল হোসেনসহ আরও অনেকে। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হাসানুজ্জামান, ঈমান আলী, মফিজ উদ্দিনসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মঈনউদ্দীন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন জিয়া স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
আন্দুলবাড়ীয়া:
সারা দেশের ন্যায় জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অর্ধনমিত রাখা, দলীয় নেতাকর্মীদের বুকে কালো ব্যাজ ধারণ, আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং তবারক বিতরণ। গত শনিবার বিকেলে আন্দুলবাড়ীয়া বাজারস্থ ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি খন্দকার নাসির উদ্দীন সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক আজিম খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান সোনা ও সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান ও রফু উদ্দীন, বিএনপি নেতা শমসের আলী, আবু জাফর, জহিরুল মেম্বার, ডা. তৈয়েবুর রহমান, ফিরোজ আলম, শ্যামল, সেলিম, মণ্টু, মুক্তার, রুবেল, জাহিদ, মোল্লা হাফিজুর রহমান ইয়া, শিল্টু, সিয়ামসহ নয়টি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবদল, ছাত্রদল, কৃষক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আলম। অনুষ্ঠান শেষে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মা, আপসহীন দেশনেত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা, সফলতা এবং দেশের সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিচালনার জন্য দোয়া কামনা করা হয়।
সমীকরণ প্রতিবেদক