শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন

‘ছাত্রশিবিরকে দমাতে হলে আদর্শ দিয়েই দমাতে হবে’
  • আপলোড তারিখঃ ০৭-০২-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন

‘জাহেলি আঁধার পেরিয়ে এসেছে দিন বদলের বাক, পৃথিবী আবার গড়তে হবে নয়া আজাদীর ডাক’ স্লোগানে চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। সহস্র নেতা-কর্মীর স্বতঃর্স্ফুত অংশগ্রহণে র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে এক আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠনের সমাপ্তি ঘটে। ইসলামী ছাত্রশিবির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সেক্রেটারি হাফেজ আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের চুয়াডাঙ্গা জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ।


এসময় তিনি বলেন, ‘১৯৭৭ সালের আজকের দিনে ৬ জন মেধাবী ছাত্রের উদ্যোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পথচলা শুরু হয়। এই কাফেলার লক্ষ্য ছিল দেশকে আধিপত্যবাদ মুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত করা। আমরা কোনো দলকে আমাদের প্রতিপক্ষ মনে করি না। আমরা প্রতিপক্ষ মনে করি চাঁদাবাজকে, দুর্নীতিবাজকে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পিছনে অনেক দল লেগেছে। কিন্তু তারা এই ছাত্রদের থামিয়ে দিতে পারেনি। ছাত্রশিবিরকে দমাতে হলে আদর্শ দিয়ে রুখতে হবে। কোনো বস্তাপঁচা রাজনীতি দিয়ে ছাত্রশিবিরকে দমিয়ে রাখা যাবে না। ১৯৭৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছাত্রশিবির একদিনের জন্যও থেমে থাকেনি। তারা সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করে আসছে।’


বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের চুয়াডাঙ্গা জেলার সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবির শান্ত বলেন, ‘১৯৭৭ সালের আজকের এই দিনে ৬ জনের নেতৃত্বে ইসলামী ছাত্রশিবির পথচলা শুরু করেছিল। ৬ জন ভাইয়ের এই সংগঠন আজ লক্ষ-কোটি ছাত্রের সংগঠনে পরিণত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, এই পথ সহজ ছিল না ইসলামী ছাত্রশিবিরের জন্য। এই পথে চলতে গিয়ে অসংখ্য ভাইকে পঙ্গু করা হয়েছে, জীবন দিতে হয়েছে, হামলা-মামলার শিকার হয়েছে। এগুলো যারা করেছে, তারা আজ মামু বাড়ি দিল্লি পালিয়েছে। যে দলের কর্মীরা মৃত্যুর ভয় করে না, যে দলের কর্মীরা জেলখানাকে নিজের বাড়ি মনে করতে পারে, বুলেটের সামনে বুক পেতে দিতে পারে, তাদেকে হুমকি দিয়ে লাভ হবে না। ইসলামী ছাত্রশিবির ছিল, আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ্।’


কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. আসাদুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মহসিন এমদাদুল্লাহ জামেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার অফিস সম্পাদক হাফেজ মাসুম বিল্লাহ, অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী, সাহিত্য সম্পাদক আবু রায়হান, দাওয়াত সম্পাদক পারভেজ আলমসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।



কমেন্ট বক্স
notebook

আন্দুলবাড়ীয়ায় ব্যবসায়ী শাহিনের মাগফিরাত কামনায় দোয়া