বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গার ভুলটিয়ায় মধ্যরাতে রাস্তায় গাছ ফেলে ছিনতাইয়ের চেষ্টা

  • আপলোড তারিখঃ ২৩-০৩-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গার ভুলটিয়ায় মধ্যরাতে রাস্তায় গাছ ফেলে ছিনতাইয়ের চেষ্টা

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভুলটিয়া রোডের বটতলা নামক স্থানে রাস্তায় গাছ ফেলে ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালিয়েছে দুজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত। তাদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন ভ্যানচালক মজনুর রহমান (৪০)। উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এছাড়াও রোগীসহ ভ্যানের তিন যাত্রী আহত হন।

জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত (২৪ মার্চ) দেড়টার দিকে ভুলটিয়া-খাড়াগোদা সড়কের বটতলা এলাকায় রাস্তার পাশের নিমগাছের ডাল ও খেজুরগাছ ফেলে পথ অবরুদ্ধ করা হয়। এরপর একটি রোগীবাহী ভ্যান থামিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা দিয়ে কোপানো হয় ভ্যানচালক মজনুর রহমানকে। এছাড়া, একই গ্রামের মিজার শাহ্, তার স্ত্রী জোসনা খাতুন ও মেয়ে শাহিনুর খাতুন আহত হন।

শাহিনুর খাতুন জানান, রোববার রাতে তার মা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য ভ্যানে করে খাড়াগোদা বাজারে নেওয়া হচ্ছিল। ভ্যানটি বটতলা এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার ওপর গাছ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখনই মুখোশধারী দুই দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র হাতে সামনে এসে তাদের বেধড়ক মারধর শুরু করে।

তিনি আরোও জানান, একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা ভ্যানচালক মজনুর মাথা ও গলায় ধারালো রামদা দিয়ে কোপা দেয়। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা আহতদের মধ্যে মিজার শাহ্, তার স্ত্রী জোসনা খাতুন ও মেয়ে শাহিনুরকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেন৷ তবে গুরুতর আহত ভ্যানচালক মজনুর রহমানকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিতুদহ ক্যাম্প ইনচার্জ এএসআই মাহমুদুল হাসান ও সিন্দুরিয়া ক্যাম্প ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম জানান, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং রাস্তা থেকে গাছ ও ডাল সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন। আহতরা সুস্থ হয়ে অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তারা।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাজমুস সাকিব বলেন, রাত দুইটা ২০ মিনিটে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মজনুর রহমান জরুরি বিভাগের আসে। তার মাথায় ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখমের চিহ্ন পাওয়া যা। গলার জখম গুরুতর ও রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা (প্রেসার ব্যান্ডেজ) দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। রাত তিনটার পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হন।



কমেন্ট বক্স
notebook

জামায়াতের সাবেক আমিরের জামাতা এজেন্ট ব্যাংকের কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা