বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

অপহরণ মামলার প্রধান আসামী ইকরামুল পুলিশের হাতে গ্রেফতার

  • আপলোড তারিখঃ ৩০-০৯-২০১৭ ইং
অপহরণ মামলার প্রধান আসামী ইকরামুল পুলিশের হাতে গ্রেফতার
চুয়াডাঙ্গার গাড়াবাড়িয়ায় পূর্ব শক্রতার জেরে আবারো প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা গাড়াবাড়িয়া গ্রাম থেকে এক যুবককে তুলে নিয়ে গিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দেওয়া ও এলাকার মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে ভীতি সৃষ্টি করার অভিযোগে স্থানীয় নেতা ইকরামুল অবশেষে পুলিশের খাঁচায় বন্দি হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকালে নিজ বাড়ি থেকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৩ সেপ্টেম্বর গাড়াবাড়ীয়ার রহমত মন্ডলের ছেলে দেলোয়ারকে রাত ৮টার দিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ইকরামুল ও তার লোকজন। রাতভর নির্যাতনের পর ভোরের দিকে এলাকার রাস্তার পাশে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দেলোয়ারকে। এ ঘটনায় দেলোয়ারের পিতা বাদী হয়ে ইকরামুল কে ১নং আসামী করে মোট ৫ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করে। এদিকে আজ (গতকাল) শুক্রবার দুপুরের পর ইকরামুল একই এলাকার প্রতিপক্ষ নাসির ও তার ভাইকে মারার জন্য দা নিয়ে তাড়া করে। পরে নাসির ও তার ভাই এলাকার লোকজনসহ ইকরামুলের বাড়ি ঘিরে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে দীর্ঘ সময় চেষ্টা করে ইকরামুলের বাড়ির ভিতর ঢুকে তাকে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে গাঁড়াবাড়িয়ার বশির বলেন, ‘আমার সাথে ইকরামুলের কোন শক্রতা নেই। তারপরেও শুক্রবার জুম্মার নামাজ পড়ে বেরানোর সময় সে দা নিয়ে আমাকে তাড়া করে। তার হাত থেকে বাঁচার জন্য গ্রামের লোকজনকে সাথে নিয়ে আমি প্রতিরোধ গড়ে তুলি। একপর্যায়ে সে বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়লে আমরা বাড়ির চারদিকে দাড়িয়ে থেকে পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।’ ইকরামুলের বড় ভাই শামসুল হক বলেন, ‘বাগানপাড়ার মুজামের মেয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে যায়। পূর্ব শক্রতার জের ধরে সেখানে প্রতিপক্ষের লোকজন তার উপরে হামলা চালায়। হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে আমাদের গ্রামের বাড়িতে আশ্রয় নেয় ইকরামুল। পরে তাকে না পেয়ে জুম্মার নামাজের পর থেকে আমার ভাই বড় ভাই রবিউল, চাচাতো ভাই এনামুল হক লাল্টু ও আমার দোকান এবং বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করে নাসির, বশির, অনিক, বকুল, নাজিম, কাউসার, কাদের, সোহাগ, জিল্লু, আশরাফ উদ্দীন, রহমতসহ আরো অজ্ঞাতনামা ১০-১২জন। তাদেরকে আসামী করে এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।’


কমেন্ট বক্স
notebook

ফুফুর টাকা হাতিয়ে নিতে ভাতিজার ‘ছিনতাই নাটক’